অনলাইন ডেস্ক, ১৬ অক্টোবর।। সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষায় ৭২০-তে ৭২০ পেয়ে প্রথম স্থান ইতিহাস গড়লেন ওড়িশার শোয়েব আফতাব। প্রথম পরীক্ষার্থী হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন শোয়েব। পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতেই শুভেচ্ছার জোয়ারে ভেসে গিয়েছেন তিনি। এমনকী তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন খোদ লোকসভার স্পিকার তথা রাজস্থানের কোটার সাংসদ ওম বিড়লা। রৌরকেল্লার ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান শোয়েব আফতাব। পরিবারে তিনিই প্রথম ডাক্তারি নিয়ে পড়াশুনো করতে চলেছেন। শোয়েব অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় তাঁর বাবা ব্যবসায় ধাক্কা খান। কোটায় গিয়ে কীভাবে মেডিক্যালের প্রবেশিকার জন্য পড়াশুনো চালাবেন, সে নিয়ে অনিশ্চিত ছিলেন। চায়ের ব্যবসা ছেড়ে নির্মাণ ব্যবস্থা শুরু করেন তাঁর বাবা।
শোয়েবের কথায়, বাবার নির্মাণ ব্যবসা ভালো চলতে শুরু করে। তারপরই ভর্তি হই কোটায়। সেখানে মা-বোনও ছিলেন। উৎসাহিত বাড়িয়েছেন ওরা। মনোযোগ দিয়ে পড়াশুনো করতে পেরেছি। করোনা পরিস্থিতিতে মেডিক্যালের সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা হওয়া নিয়ে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। মহামারী পরিস্থিতিতেই পরীক্ষা আয়োজন নিয়ে একপ্রস্থ বিতর্ক হয়েছিল। জল গড়িয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। শেষপর্যন্ত নির্ধারিত দিনে পরীক্ষা হলেও অনেকেই নিট দিতে পারেননি। তাঁদের ফের দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগও দেয় সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার সর্বভারতীয় এই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি।প্রথমে বেশ কিছুক্ষণ সার্ভার বন্ধ থাকলেও পরে রেজাল্ট দেখতে পান পরীক্ষার্থীরা। তখনই জানা যায় শোয়েবের সাফল্যের কথা। রেজাল্ট বেরানোর পর শুরু হবে কাউন্সেলিং। সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের নিটে ৫০ শতাংশ বা তার বেশি নম্বর পেতে হয়। তপশিলি জাতি ও উপজাতির ছাত্রীদের পেয়ে হয় ৪০%।