জিবিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন রয়েছে, জানালেন সাংসদ প্রতীমা

স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ৭ অক্টোবর।। জিবি হাসপাতালের কোভিড কেয়ার সেন্টারে ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখতে বুধবার ফের একবার বৈঠক করেন জিবির রোগী কল্যাণ পরিষদের চেয়ারম্যান তথা সংসদ প্রতিমা ভৌমিক। স্বাস্থ্য আধিকারিক ও জিবি হাসপাতালের চিকিৎসকদের উপস্থিতিতে চিকিৎসার পরিসেবা বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন তিনি। একই সঙ্গে হাসপাতালে স্বাভাবিক পরিষেবার বিষয়ে অবগত হন। পরে জিবি হাসপাতালে রোগী কল্যাণ পরিষদের চেয়ারম্যান তথা সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক বলেন বর্তমানে কোভীডের প্রকোপ রয়েছে। সামনেই আসছে দুর্গাপূজা। তিনি প্রার্থনা করেন এই পরিস্থিতি থেকে সমগ্র দেশ ও রাজ্য যেন দ্রুত মুক্তি পায়।

তবে গত কিছুদিন ধরে কোভীডের প্রকোপ রাজ্যে কমেছে। মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই কোভিড এর প্রকোপ কমেছে বলে জানান তিনি। সকলের কাছে আহ্বান জানান সচেতনতার মাধ্যমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার। জিবির পরিষেবা সার্বিকভাবে প্রদান করছে স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসকেরা। নতুন করে স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসক নিয়োগ করা হয়েছে। শাসন ও প্রশাসনের সহযোগিতা এক্ষেত্রে অব্যাহত রয়েছে। মানুষের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে সেই সমস্ত ভুলত্রুটি শুধরে নেওয়া হচ্ছে। কোভিডের প্রকোপ ক্রমশ নিম্নমুখী। এই ধারাকে অব্যাহত রাখতে হবে। কোন ধরনের রোগ লুকিয়ে না রেখে অসুস্থতা অনুভব করলেও দ্রুত জিবিতে আসার জন্য আহ্বান জানান রোগী কল্যাণ পরিষদের চেয়ারম্যান তথা সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক।

কোন ধরনের অসুস্থতা বোধ করলে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। পরিষেবার জন্য স্বাস্থ্য কর্মী তৎপর রয়েছে। কেউ যাতে বিভ্রান্ত না হন তার বার্তা দেন তিনি। জিবিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন রয়েছে। প্রতিদিন ৩০০ সিলিন্ডার অক্সিজেন লাগতো। কিন্তু ব্যবস্থা করে রাখা হয়েছিল ৩৭০ সিলিন্ডারের। এর বাইরে বর্তমানে জিবিতে প্রতিদিন অক্সিজেন সিলিন্ডার লাগে ১১৭টা। অক্সিজেনের কোন সমস্যা নেই বলে জানান তিনি। অক্সিজেন কনসেনট্রেটেড ভগৎ সিং সেন্টারকে ৫০ টা দেওয়া হয়েছে। বাকিগুলি জিবিতে ব্যবহার হচ্ছে। জয়ন্তী ওয়ার্ডকে কোভীডের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে। এই ওয়ার্ডের প্রথম ও দ্বিতীয় তলা প্রস্তুত হয়েছে। আগামী ৩১শে অক্টোবর থেকে ডেডিকেটেড পরিষেবা প্রদান করা হবে ।

এই ক্ষেত্রে নতুন করে জিবিতে অক্সিজেন প্ল্যানিং সেন্টার করা হবে। বিগত সরকার জীবিতে অপরিকল্পিতভাবে অক্সিজেন প্ল্যানিং সেন্টারকে তৈরি করেছিল। বৈজ্ঞানিকভাবে আগেই নির্মাণ হলে এই সমস্যার সম্মুখীন হতে হতো না। আগের নির্মাণকাজ বাস্তবতার সঙ্গে মিল ছিল না। বর্তমানে সেই কাজের আধুনিক ও বাস্তবসম্মত রূপ দেওয়া হচ্ছে। আগে হলে এই হয়রানি বন্ধ করা যেত বলে জানান জিবির রোগী কল্যাণ পরিষদের চেয়ারম্যান তথা সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক। জিবির স্থায়ী সমাধান করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?