Omicron: ব্রিটেন ও আমেরিকায় অধিকাংশ করোনা রোগী এখন ওমিক্রনেই সংক্রমিত হচ্ছেন

 

অনলাইন ডেস্ক, ১৮ ডিসেম্বর।। করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন সংক্রমণ নিয়ে উদ্বিগ্ন গোটা বিশ্ব। আমেরিকা, ইউরোপ সহ একাধিক দেশে ডেল্টাকে পেছনে ফেলে সামনের সারিতে উঠে এসেছে হানাদার ওমিক্রন। ব্রিটেন ও আমেরিকায় অধিকাংশ করোনা রোগী এখন ওমিক্রনেই সংক্রমিত হচ্ছেন। আর এরই মাঝে নতুন এক আতঙ্ক ঘিরে ধরেছে মানুষকে।

 

‘মারাত্মক’ ডেল্টা ধরনের সঙ্গে মিলে কি আরও ভয়ঙ্কর ধরন তৈরি করতে পারে ‘অতি সংক্রামক’ ওমিক্রন? টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থা সংস্থা মডার্নার প্রধান মেডিক্যাল অফিসার ড. পল বার্টন জানাচ্ছেন, এটা সম্ভব।

 

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের সংসদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত কমিটির সামনে উপস্থিত হয়েছিলেন ড. পল বার্টন। সেখানেই তিনি জানান, যদি একই সময় কোনও রোগী ডেল্টা এবং ওমিক্রনে সংক্রমিত হন, তাহলে সেই ব্যক্তির দেহের ভেতরেই করোনার নতুন এক ‘সুপার স্ট্রেন’ তৈরি হতে পারে। তিনি বলেন, ‘নিশ্চিতভাবে এই সংক্রান্ত তথ্য আছে। মহামারীর প্রথম দিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় কিছু গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছে, টিকা না নেওয়া ব্যক্তির ওপর দুটি স্ট্রেন একসঙ্গে হানা দিতে পারে’।

 

উল্লেখ্য, ব্রিটেনে বর্তমানে ওমিক্রন ও ডেল্টা সংক্রমণ পাল্লা দিয়ে ছড়াচ্ছে। শুক্রবার ব্রিটেনে ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন ৩,২০১ জন। এর জেরে সেদেশে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪,৯০৯।

 

এই আবহে ড. বার্টনের আশঙ্কা, ওমিক্রন ও ডেল্টা জিন অদলবদল করে এক ভয়ঙ্কর স্ট্রেনের জন্ম দিতে পারে। উল্লেখ্য এর আগে আলফা স্ট্রেন বি.১.১৭৭-এর সঙ্গে মিলেছিল, কেন্ট স্ট্রেন মিলেছিল বি.১.৪২৯-এর সঙ্গে। যদিও সেগুলো খুব বেশি মারাত্মক বা সংক্রামক ছিল না। তবে ওমিক্রনের সংক্রামক শক্তি দেখে আশঙ্কিত বিজ্ঞানীরা।

 

যুক্তরাজ্যে দাবানলের মতো ছড়াচ্ছে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন। করোনাভাইরাসের আগের ধরন ডেল্টা এবং নতুন ধরন ওমিক্রন উভয়েই একই সঙ্গে দেশটির মানুষকে আক্রান্ত করে চলেছে বলে দেশটির শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

 

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণে একের পর এক নতুন রেকর্ড গড়ছে যুক্তরাজ্য। দেশটিতে শুক্রবার ৯৩ হাজার ৪৫ জন নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছে সরকার। এ নিয়ে দেশটিতে পরপর তৃতীয় দিন কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্তের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হলো।

 

এর আগে দেশটিতে বৃহস্পতিবার ৮৮ হাজার ৩৭৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছে সরকার। তার আগে বুধবার আক্রান্ত হয়েছিল ৭৮৬১০ জন। আগের সর্বোচ্চ রেকর্ডটি ছিল গত ৮ জানুয়ারির ৬৮০৫৩ জন।

 

সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ মহামারী চলাকালে যুক্তরাজ্যে সংক্রমণের মোট সংখ্যা বেড়ে প্রায় এক কোটি ১১ লাখে দাঁড়িয়েছে। দেশটিতে করোনাভাইরাসে আরও ১১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় এক লাখ ৪৭ হাজারে দাঁড়ালো।

 

যুক্তরাজ্যের চিফ মেডিকেল অফিসার ক্রিস হুইটি সতর্ক করে বলেছেন, আগামী সপ্তাহগুলোতে আরো রেকর্ড ভাঙার ঘটনা ঘটতে চলেছে। তিনি বলেন, ‘আগামী কয়েক সপ্তাহে বারবার রেকর্ড ভাঙার ঘটনা ঘটবে, কারণ সংক্রমণের হার অবিশ্বাস্যভাবে বাড়ছে’।

 

বিশেষজ্ঞরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, চলতি মাসের শেষদিকে প্রতিদিন করোনা সংক্রমণের হার এক লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

 

 

ujjivan
sbi life
hero
hdfc
dailyhunt
bazar kolkata
adjebra

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?