অনলাইন ডেস্ক, ১৩ ডিসেম্বর।। উদ্বোধন হল কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের করিডরের। মন্দির কমপ্লেক্সের ফেজ ওয়ানের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনের জানান, আজ থেকেই সাধারণের জন্য উন্মুক্ত হল এই দ্বার। সরাসরি ঢোকা যাবে এই মন্দিরে।
দেশকে একসূত্রে বেঁধেছ কাশী। নতুন ভারত বিশ্বকে দিশা দেখাচ্ছে। করোনাকালেও নির্মাণের কাজ থেমে থাকেনি। করিডর নির্মাণেও রাজনীতি হয়েছে। নির্মাণের নেপথ্যে শ্রমিকদের প্রণাম। শক্তি সামর্থ্যে বিশ্বাস করে নতুন ভারত। নতুন ভারত বিশ্বকে দিশা দেখিয়েছে।
কাশীর বিশ্বনাথ মন্দির পরম্পরার সাক্ষী। ৫ লক্ষের বর্গফুটের করিডর নির্মাণ। এবার সহযে বিশ্বনাথ ধামে আসতে পারবেন প্রবীণরা। বিশ্বনাথ মন্দিরে এবার সহজেই পৌঁছতে পারবেন ভক্তরা।অসম্ভব বলে কিছু নেই, ইচ্ছে থাকলে সব হয়। এক নতুন ইতিহাসের রচনা হল।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত সাত বছর ধরে কাশীতে যে উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছিল, তার প্রথম ফেজ পূরণ হল। ২০০-২৫০ বছর আগে কাশীর সংস্কারের কাজ হয়েছিল। তারপর এই প্রথম বিশ্বনাথ ধামের সংস্কারের এত কাজ হল।
এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘কাশী বিশ্বনাথ মন্দির যখন ভাঙা হয়েছিল, তখন অহল্যবাই ফের এই মন্দিরের নির্মাণ করেছিলেন। মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা অহল্যা বাই বিশ্বনাথের টানে এখানে এসেছিলেন, এটাই কাশীর মাহাত্ম্য।’ বাবা বিশ্বনাথের ইচ্ছাতেই তৈর হয়েছে এক কাশী বিশ্বনাথ ধাম।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কাশী যুগ যুগ ধরে নানা পরিবর্তন দেখেছে। বিভিন্ন সময়ে ঔরঙ্গজেব থেকে ব্রিটিশ শাসক, সন্ত্রাসবাদীদের আক্রমণের মুখে পড়েছে। তবুও কাশীর উন্নয়ন থেমে থাকেনি।আজ উন্নয়নের পথে আরও একধাপ এগোল কাশী।
দুদিনের সফরে বারানসীতে প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধনে আগে গঙ্গায় নেমে কোমর জলে নেমে পুজো দিলেন তিনি। বিশ্বনাথ মন্দিরে ষোড়শ উপাচারে পুজো দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।
মন্দির চত্বরে প্রবেশ করে সংস্কারের কাজও ঘুরে দেখেন। বিশ্বনাথধামে করিডরের উদ্বোধনের পাশাপাশি মন্দির লাগোয়া ২৩টি ভবনের উদ্বোধন করেন মোদি।
সামনেই উত্তরপ্রদেশ নির্বাচন। সেই নির্বাচনকে সামনে রেখেই একের পর উদ্বোধনের মাধ্যমে মানুষের মন জয়ের চেষ্টায় গেরুয়া শিবির।