অনলাইন ডেস্ক, ১৬ সেপ্টেম্বর।। প্রেসিডেন্ট হত্যায় প্রধানমন্ত্রীও জড়িত— এমন ধারণা হওয়ায় হাইতির প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুরোধ জানিয়েছিলেন দেশটির প্রধান কৌঁসুলি। এতেই তার চাকরি গেল। আর খবরটি ‘আনন্দের সঙ্গেই’ জানিয়েছেন সেই প্রধানমন্ত্রী।
গত ৭ জুলাই নিজ বাসভবনে নিহত হন হাইতির প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মোয়িস। এরপর থেকে চরম রাজনৈতিক অস্থিরতায় ঘুরপাক খাচ্ছে ক্যারিবীয় দেশটি।
প্রেসিডেন্ট হত্যায় জড়িত সন্দেহে ৪৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যাদের মধ্যে ১৮ জন কলম্বিয়ার, দুজন যুক্তরাষ্ট্রের আর বাকি ২৪ জন হাইতির নাগরিক। এর মাঝে প্রধানমন্ত্রী অ্যারিয়েল হেনরির দিকে অভিযোগের আঙুল তুললেন প্রধান কৌঁসুলি বেড-ফোর্ড ক্লড।
মঙ্গলবার বিচারক গ্যারি ওরেলিয়েনকে এক চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী হেনরিকে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন প্রসিকিউটর ক্লড। তিনি লেখেন, প্রধানমন্ত্রীও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এমনটি মনে করার মতো যথেষ্ট আলামত রয়েছে।
তিনি জানান, রেকর্ড করা ফোন কল বলছে, প্রেসিডেন্ট নিহত হওয়ার কিছুক্ষণ আগে মূল সন্দেহভাজনদের একজনের সঙ্গে দুবার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী৷
প্রথমবার ৭ জুলাই ভোর চারটা তিন মিনিটে আর দ্বিতীয়বার চারটা ২০ মিনিটে। বর্তমানে পলাতক জোসেফ বাডিও নামের সেই সন্দেহভাজন প্রেসিডেন্টের বাড়ির খুব কাছেই ছিলেন। এর একটু পরেই একদল লোক প্রেসিডেন্টকে গুলি করে হত্যা করে।
মূল সন্দেহভাজনদের একজনের সঙ্গে কথোপকথনের কারণ জানতে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীর হাইতির বাইরে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা আরোপেরও সুপারিশ করেছিলেন প্রসিকিউটর।
কিন্তু হাইতির সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্টের অনুমতি ছাড়া প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যায় না। দেশে এখন কোনো প্রেসিডেন্ট নেই, তাই সাংবিধানিকভাবে প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করাও সম্ভব নয়।