Punishment: আফগানিস্তানে ফের সংগীত নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে তালেবানরা, অমান্য করলে তাঁকে গুরুতর শাস্তি

অনলাইন ডেস্ক, ২৬ আগস্ট।। আফগানিস্তানে ফের সংগীত নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে তালেবানরা। নিউ ইয়র্ক টাইমস এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে একথা জানান তালেবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ।

জাবিউল্লাহ মুজাহদি বলেন, “ইসলামে সংগীত নিষিদ্ধ। তবে, আশা করছি গায়ের জোরে নয় বরং বুঝানোর মাধ্যমেই মানুষকে আমরা এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখতে পারব।”

তবে, আগেরবারের তালেবান শাসনের চেয়ে এবারের তালেবান শাসন ভিন্ন হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন। তিনি বলেন, আগের সবকিছু ভুলে আমরা দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে যাই এবং দেশের উন্নয়ন করতে চাই।

তালেবানরা গোপনে বিরোধীদের ওপর প্রতিশোধ নিচ্ছে এবং নারীদের ওপর ১৯৯৬ সালের মতোই কঠোর রীতি-নীতি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে তাও অস্বীকার করেন জাবিউল্লাহ মুজাহিদ।

তিনি বলেন, পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ার পর তালেবানরা নারীদেরকে চাকরিতে ফিরে যেতে দেবে। আর তালেবানরা নারীদেরকে ফের আপাদমস্তক বোরকা পরতে বাধ্য করবে এমন আশঙ্কাও ভিত্তিহীন উল্লেখ করে তিনি বলেন, নারীদেরকে শুধু মাথায় হিজাব পরতে হবে। এর বেশি কিছু তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে না। আর তিন দিনের বেশি ঘরের বাইরে থাকলে নারীদের সঙ্গে একজন পুরুষ অভিভাবক রাখতে হবে।

১৯৯৬ সালে ক্ষমতা দখল করার পরও তালেবানরা আফগানিস্তানে সংগীত, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র নিষিদ্ধ করেছিল। যা ২০০১ সাল পর্যন্ত বলবত ছিল। কেউ এই নিয়ম অমান্য করলে তাঁকে গুরুতর শাস্তি পেতে হতো।

কিন্তু ২০০১ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনীর হাতে তালেবানরা উৎখাত হলে দেশটিতে সংগীতচর্চার ব্যাপক প্রসার ঘটে। সেখানে প্রচুর কনসার্ট ও উৎসব হতো। এমনকি আফগানিস্তানে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মিউজিকও প্রতিষ্ঠা হয়।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?