Vaccination: করোনভাইরাস মহামারির কারণে হুমকির সম্মুখীন কয়েকটি মারাত্মক রোগের টিকা

অনলাইন ডেস্ক, ৩০ জুলাই।। পৃথিবীর কয়েকটি মারাত্মক রোগের বিরুদ্ধে পরিচালিত টিকা কর্মসূচিগুলো গত বিশ বছরে কোটি কোটি মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে। এই অগ্রগতি করোনভাইরাস মহামারির কারণে হুমকির সম্মুখীন।

এক গবেষণার বরাত দিয়ে এই খবর প্রকাশ করেছে ভয়েস অব আমেরিকা। গাভি, ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স এবং বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ভ্যাকসিন ইমপ্যাক্ট মডেলিং কনসোর্টিয়ামের বিজ্ঞানীরা গত দুই দশক ধরে ১১২টি নিম্ন এবং মধ্য আয়ের দেশে দশটি সংক্রামক রোগের টিকাদান কর্মসূচির প্রতি নজর রেখেছেন।

তারা দেখতে পেয়েছেন, টিকার মাধ্যমে প্রায় ৫ কোটি মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই শিশু।

গবেষকদের উল্লেখিত রোগের মধ্যে রয়েছে হাম, হেপাটাইটিস বি, হিউম্যান পেপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি), হলুদ জ্বর, হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ বি, স্ট্রেপ্টোকোকাস নিউমোনিয়া, রুবেলা, রোটাভাইরাস, নিসেরিয়া মেনিনজিটাইডিস সেরো গ্রুপ এ এবং জাপানিজ এনসেফালাইটিস।

এই সমীক্ষা কভিড মহামারি শুরুর আগে টিকার প্রভাব বিষয়ে বৃহত্তম মূল্যায়ন।

প্রতিবেদনটির সহ-লেখক ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের ড. কেটি গেইথর্প বলেন, টিকাদান কর্মসূচির এই অগ্রগতি বজায় রাখতে পারলে গত দুই দশকের সাফল্য ধরে রাখা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, “আমাদের পরিকল্পনায় আমরা যদি টিকা কার্যক্রম অব্যাহত রাখি, ২০১৯ এর পর থেকে আমরা আরও ৪ কোটি ৭০ লাখ মানুষকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে পারবো— এটা বিশাল সংখ্যা। ”

টিকাদান কর্মসূচি নির্দিষ্ট রোগ প্রতিরোধের বাইরেও আরও কিছু উপকারে আসবে। গেটথর্প বলেন, “উদাহরণস্বরূপ, যদি কেউ ভ্যাকসিন-প্রতিরোধযোগ্য রোগে অসুস্থ হয়ে না পড়ে, তাহলে স্বাস্থ্যসেবার ওপর অনেক কম চাপ পড়বে, অর্থাৎ আপনি অন্যান্য রোগাক্রান্তদের চিকিৎসার দিকে নজর দিতে পারবেন। ”

গবেষকরা সতর্ক করে বলছেন, কভিড-১৯ মহামারি অন্যান্য টিকাদান কর্মসূচিকে কিছুটা ব্যাহত করেছে এবং সেগুলোর ব্যাপ্তি হ্রাস পেতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা চলতি বছরের গোড়ার দিকে ভ্যাকসিন প্রোগ্রামগুলো পুনরায় শুরু করতে এবং আরও বেশি লোকের কাছে পৌঁছে দিতে ‘টিকাদান এজেন্ডা ২০৩০’ চালু করেছে।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?