অনলাইন ডেস্ক, ১ জুলাই।। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেডলাইন থাকলেও তার আগেই আফগানিস্তান থেকে সব সেনা সরিয়ে নিতে যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির কর্মকর্তারা রয়টার্সকে বলেছেন, আর কয়েক দিনের মধ্যে তারা সরে যাবেন। নিজেদের দূতাবাস এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় কয়েক জন সেনা শুধু থাকবেন। তালেবানদের হামলা দেশটিতে বেড়ে যাওয়ার সময়ে যুক্তরাষ্ট্র এভাবে সেনা সরিয়ে নিলে গৃহযুদ্ধ শুরু হতে পারে বলে বাইডেন প্রশাসনের এক কমান্ডার সতর্ক করেছেন।
গত মাস থেকে যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে সেনা সরাতে শুরু করে। তখন থেকে তালেবানদের হামলা বাড়ছে। কাবুলে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের দেখভালের জন্য সব মিলিয়ে ৬৫০ জন সেনা থাকবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। মার্কিন কর্মকর্তারা পরিষ্কার করে জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই প্রত্যাহারের কাজটি শেষ হতে পারে।
তালেবানের অগ্রযাত্রা সত্ত্বেও দেশটিতে সম্ভবত নতুন করে কোনো সামরিক সহায়তার বিষয়ে অনুমোদন দেবেন না বাইডেন। তবে আফগান সরকারকে পরামর্শ, গোয়েন্দা তথ্য ও উড়োজাহাজ ব্যবস্থাপনায় সহায়তাদানের মতো বিষয় এর বাইরে থাকবে। সম্প্রতি বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকের আগে ক্যাপিটল হিলে দ্বিতীয় দিনের মতো আলোচনায় বসেন আফগান নেতারা।
সেখানে নেতাদের অনেকে আফগানিস্তান থেকে পুরোপুরি মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে আপত্তির কথা জানান। আল–জাজিরা জানিয়েছে, বাইডেনের সঙ্গে আফগান নেতাদের বৈঠকের প্রতিক্রিয়ায় তালেবানের মুখপাত্র সুহাইল শাহিন কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেলটিকে বলেছেন, চুক্তি মোতাবেক আগামী ১১ সেপ্টেম্বরের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ওয়াশিংটন আফগানিস্তান থেকে সব সেনা সরিয়ে না নিলে তা হবে চুক্তির ‘সুস্পষ্ট লঙ্ঘন’।