স্টাফ রিপোর্টার, তেলিয়ামুড়া, ১৫ জুন।। মুঙ্গিয়াকামি ব্লকের ৪৩ মাইল এলাকার উপজাতি অংশের মানুষজন পানীয় জলের তীব্র সংকটে ভুগছেন। অপরিস্রুত পানীয় জল পান করে জল বাহিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন গিরিবাসীরা।
সুখা মরশুম কিংবা বর্ষা মরশুম সব সময়ই প্রত্যন্ত এলাকা গুলিতে তীব্র পানীয় জলের সংকট দেখা দেয় । ঘটনা তেলিয়ামুড়া মহকুমার মুঙ্গিয়াকামী আরডি ব্লকের অধীন ৪৩ মাইল এলাকায়।
এলাকায় বর্তমানে ৬০থেকে ৬৫টি উপজাতি পরিবারের বসবাস। প্রত্যন্ত এলাকার উপজাতিরা মৌলিক চাহিদাগুলোর কথা তারা না তুলে ধরলেও পানীয় জলের যে তীব্র সংকট রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে তা তুলে ধরেছেন। ওই এলাকায় বসবাসকারী এক উপজাতি যুবক জানান, যুগ যুগ ধরে তীব্র পানীয় জলের সংকটের মধ্য দিয়ে দিন গুজরান করতে হচ্ছে তাদের।
মুঙ্গিয়াকামী ব্লকের অধীন ৪৩ মাইল এলাকায় বসবাসকারী জনজাতি অংশের মানুষেজনেরা ছড়ার জল কিংবা মাটি কুঁড়ে কাঁচা কুঁয়ো তৈরি করে সেই কুঁয়ো থেকে জল সংগ্রহ করে চাহিদা মেটাতে বাধ্য হচ্ছেন। সেই অপরিশ্রুত জল খেয়ে তৃষ্ণা মেটাতে হচ্ছে তাঁদের। এই অপরিশ্রুত পানীয় জল খাওয়ার ফলে জল বাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে প্রত্যক্ষ করা যায় এলাকার এক উপজাতি যুবক পরিবারের লোকজনদের পানীয় জলের তৃষ্ণা মেটানোর তাগিদে প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ ফুট পাহাড়ের নিচের ছড়া থেকে অপরিশ্রুত জল সংগ্রহ করছে।
অন্যদিকে ওই যুবক জানায়, বর্ষাকালে তারা ছড়ার জল সংগ্রহ করতে খুব দুর্ভোগের সম্মুখীন হতে হয় ।ছড়ার মধ্যে যাতায়াতের রাস্তার বেহাল দশার কারণে সমস্যা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।
ফলে তারা বৃষ্টির জল সংগ্রহ করেই তাদের পানীয় জলের তৃষ্টা নিবারণ করে। তারা জানান, ডিডব্লিউ এস এর মাধ্যমে পানীয় জল দেওয়ার কথা থাকলেও সময় মত পানীয় জল দেওয়া হয় না, অভিযোগ করেন এলাকার গিরিবাসীরা।
বর্তমানে ত্রিপুরা স্ব-শাসিত জেলা পরিষদ এলাকার ক্ষমতায় রয়েছে প্রদ্যুৎ কিশোর দেববর্মনের নেতৃত্বাধীন তিপরা মথা দল। এখন দেখার বিষয় প্রত্যন্ত এলাকায় পানীয় জল সংকট নিরসন করার লক্ষ্যে এডিসি প্রশাসন কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে।