কিন্তু বহু ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, তা যথেষ্ট কার্যকর হচ্ছে না। বিশেষ করে কিছু ক্ষেত্রে নতুন মিউটেটেড স্ট্রেনের সামনে প্রায় অকেজো প্রতিপন্ন হচ্ছে প্রতিষেধক। দক্ষিণ আফ্রিকা যেমন জানিয়েই দিয়েছে, তাদের স্ট্রেনে অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রতিষেধক কোনও কাজ দিচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন জানিয়েছেন, লকডাউন থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসবে ব্রিটেন। এই ধাপে অতি-প্রয়োজনীয় নয়, এমন দোকান খুলে দেওয়া হচ্ছে। খোলা হয়েছে জিম, সেলুন, পাব, আউটডোর রেস্তরাঁ।
চিড়িয়াখানাতেও যেতে পারবেন মানুষ। গত তিন মাস সরকারি নির্দেশে বন্ধ ছিল এই সবই। জনসন বলেন, ‘আমি নিশ্চিত, সরকারের এই সিদ্ধান্তে ব্যবসায়ীরা অনেকটাই স্বস্তি পাবেন। সাধারণ মানুষও এত দিন ধরে ঘরবন্দী। এ বার তারা এই সব জায়গায় যেতে পারবেন। তবে প্রত্যেকের কাছে আর্জি, নিজেদের দায়িত্ব ভুলবেন না।’