এর পর দুই সপ্তাহ কেঁদেছেন। এখনো মাঝে মাঝে কাঁদেন। পোস্টে শুরুতেই উল্লেখ করেন, ক্যারিয়ারের প্রথম দিক মিডিয়া তাকে বিচার করেছে, আজও করে চলেছে। সারা জীবন শুধু মানুষের সামনে পারফর্ম করে যেতে হয়েছে। মিডিয়ার গুঞ্জন, আলোচনা, অপমান ও বিব্রতকর পরিস্থিতি তাকে কতটা নাজুক করেছে তা তুলে ধরেন। মানসিক স্থিততার জন্য এখন প্রতি রাতে নাচেন বলে জানান ব্রিটনি। যা তাকে জীবন ও বেঁচে থাকার স্বাদ দেয়। ‘ফ্রেমিং ব্রিটনি স্পিয়ার্স’-এ ব্রিটনি গায়ক জীবন ও পরে ২০০৮ সালে আদালতের মাধ্যমে বাবা জেমি স্পিয়ার্সের অভিভাবকত্বের অধীনে যাওয়ার ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস ও লেফট/রাইট প্রডাকশন্সের চলচ্চিত্রটি ‘ফ্রি ব্রিটনি’ আন্দোলনে নতুন জোয়ার এনেছে। তবে এ ছবিতে গায়িকার সংযুক্তি নেই। ফেব্রুয়ারিতে ভ্যারাইটিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে চলচ্চিত্রটির নির্মাতা ও প্রযোজক সামান্থা স্টর্ক বলেন, ব্রিটনির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন। কিন্তু কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে থাকা গায়িকার কাছে তার অনুরোধ পৌঁছেছে কিনা নিশ্চিত নন। তবে ব্রিটনি স্পিয়ার্স এটি পরিষ্কার করেছেন যে, তিনি বাবার অধীনে থাকতে চান না। এ বিষয়ে ২৭ এপ্রিল শুনানি রয়েছে। একাধিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৮ সাল থেকে নিজের ওপর অভিভাবকত্ব হারিয়েছেন ব্রিটনি স্পিয়ার্স। ওই সময় থেকে তার সম্পত্তির দেখভাল করেন বাবা জেমস স্পিয়ার্স।
গায়িকার অসুস্থতার কারণে আদালত থেকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু বিষয়টি মানতে পারেননি ব্রিটনি, তাই ২০১৭ সালে পারফর্ম থেকে বিরত আছেন। এ দিকে ব্রিটনির জীবন, ক্যারিয়ার ও অভিভাবকত্বের লড়াই নিয়ে আরেকটি প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করছে নেটফ্লিক্স। ব্লুমবার্গ জানায়, চলচ্চিত্রটি তৈরি করছেন এরিন লি কার। তিনি অবশ্য ব্রিটনির চোখে ‘বিব্রতকর’ প্রামাণ্যচিত্রটির আগে কাজ শুরু করেন। কিন্তু এখনো শেষ করতে পারেননি। নতুন এ প্রামাণ্যচিত্র নিয়ে নানা ধরনের গুঞ্জন রয়েছে। এর মধ্যে টিএমজেড জানায়, ছবিটির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত আছেন ব্রিটনি স্পিয়ার্স নিজেই।