ঘটনার বিবরণে জানা যায় সোমবার সকাল ১১ টা নাগাদ কাঞ্চনমালা এলাকার টুটন সরকার এবং তার এক আত্মীয় আগরতলা রেলওয়ে স্টেশন থেকে তেলিয়ামুড়া স্টেশনে যাবার জন্য টিকেট নিতে আসে । কাউন্টার থেকে তাদেরকে বলা হয় টিকিট কাটার জন্যএকসাথে ৩ জন লোকের ব্যবস্থা করতে ।
প্রত্যেক জনকে ৫০ টাকা করে তিনজনের দেড়শ টাকা দিতে হবে। তারপর টুটন সরকারের নিকট আত্মীয় ব্যক্তিটি তার সাথে আরও দুইজন জোগাড় করে তিনজন মিলে কাউন্টারে দেড়শ টাকা জমা করেন। টাকা জমা দেওয়ার পর টিকেট চাইতে গেলে কাউন্টারের লোকজন বলেন টিকিট লাগবে না। রেলের ভেতরেে বসে পড়লেই চলবে।
কাউন্টার এর দায়িত্বে থাকা কর্মীদের এই কথা শুনে সচেতন যাত্রীরা হতবাক হয়ে যান। শেষ পর্যন্ত টিকেট ছাড়াই এই তিনজন রেলে তেলিয়ামুড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। রেলের এই দুর্নীতির খবর পেয়ে সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা সঙ্গে সঙ্গেই আগরতলা রেলওয়ে স্টেশনের ছুটে যায়। স্টেশনমাস্টার থেকে শুরু করে সবাইকেই এই ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে কেউ মুখ খুলতে রাজি হয়নি। তাদের এই মৌনতাই প্রমাণ রেল যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করে তারা টিকিট দেয় নি।
তারা অবৈধভাবে টাকা নিয়েছে।স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা কাঞ্চনমালা থেকে আগত টুটন সরকার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন আগরতলা রেলওয়ে স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে টিকিটের জন্য টাকা জমা করলেও রেলযাত্রীদের কোন টিকিট দেওয়া হয়নি। এখন প্রশ্ন হলো আগরতলা রেলওয়ে স্টেশনের আধিকারিকদের এই ধরনের কার্যকলাপ সম্পর্কে কেন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এখন দেখার বিষয় ভারতীয় রেল দপ্তর রেলের কি দুর্নীতিবাজ কর্মীদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করে।