বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসাবে থাকা এক যুবক শৌচালয়ে যায়। সে শৌচালয় থেকে ঘরে এসে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পায়। তখন তার চিৎকারে বাড়ির সকলে ঘুম থেকে উঠে আসে। ততক্ষণে আগুনের লেলিহান শিখা দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। খবর দেওয়া হয় দমকল বাহিনীর কর্মীদের। এক এক করে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে দমকল বাহিনীর চারটি ইঞ্জিন। শেষ পর্যন্ত দমকল বাহিনীর চারটি ইঞ্জিনের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
ততক্ষণে বসত ঘর সহ ঘরে থাকা সকল আসবাবপত্র ও সামগ্রী পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বাড়ির মালিক উমেশ চন্দ্র সাহার ছেলে অপূর্ব সাহা জানান কোন কিছুই বাঁচানো যায়নি। এই অগ্নিকাণ্ডে আনুমানিক ১৫ থেকে ১৬ লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে। দমকল বাহিনীর এক কর্মী জানান ধারনা করা হচ্ছে বিদ্যুতের শটসার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়েছে।