অনলাইন ডেস্ক, ১০ ফেব্রুয়ারী।। বলিউডের ভাইজান সলমন খানকে বিয়ে করাই একমাত্র স্বপ্ন ছিল। তাঁকে বিয়ে করতেই তিনি পাকিস্তান থেকে ভারতে এসে পৌঁছন। ‘ম্যায়নে প্যার কিয়া’ দেখার পর থেকেই সলমনের প্রেমে হাবুডুবু খেতে শুরু করেন সোমি।
এরপরই তিনি সিদ্ধান্ত নেন ভারতে আসার। সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাতকারে নিজের সেই পুরনো স্বপ্নের কথা জানান পাকিস্তানি অভিনেত্রী সোমি আলি।
সোমি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘ম্যায়নে প্যার কিয়া’ দেখার পরই সলমনকে ভাল লেগে যায় তাঁর। সলমনকে বিয়ে করার জন্য ভারতে আসবেন বলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন মা-কে। মেয়ের কথা শুনে ওই সময় কার্যত ভড়কে যান সোমি আলির মা।
মেয়ে যাতে ওই ধরনের কিছু না করেন, তার জন্য ঘরের মধ্যে নজরবন্দি করে রাখা হয় তাঁকে। এরপর মাঝ রাতে সলমনের স্বপ্ন দেখে জেগে উঠলে, বাবার সঙ্গে কথা বলেন সোমি। বাবার সঙ্গে কথা বলেই তিনি ভারতে আসার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন।
তবে মুম্বইতে তাঁদের বেশ কয়েকজন আত্মীয় রয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে চান। বাবাকে ওই কথা জানিয়েই সোমি আলি মুম্বইতে আসেন বলে জানান সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যের সাক্ষাৎকারে।
মুম্বইতে আসার পর মডেলিং জগতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন সোমি। মডেলিংয়ের পাশাপাশি অভিনয়ও শুরু করেন সোমি। ওই সময় সলমন খান এবং সোমি আলির মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠলে, তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয় বি টাউনে।
টানা ৮ বছর সলমন খানের সঙ্গে সম্পর্কের পর সোমির সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে যায় বলিউড ভাইজানের। শোনা যায়, ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের জন্যই নাকি সলমনের সঙ্গে সোমি আলির বিচ্ছেদ হয়ে যায়। একটি সাক্ষাতকারে হাজির হয়ে সে বিষয়ে মুখও খোলেন সোমি ওই সময়।
তিনি স্পষ্ট জানান, ঐশ্বর্যর হাজিরাতেই সলমনের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে যায় তাঁর। সঞ্জয় লীলা বনশালির ‘হম দিল দে চুকে সনম’-এ অভিনয়ের সময় থেকেই রাইয়ের সঙ্গে সলমনের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
যদিও সেই সম্পর্কও বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। সলমন শারীরিক হেনস্থা করেছেন। এই অভিযোগে সলমানের কাছ থেকে ঐশ্বর্য নিজেকে সরিয়ে নেন।