অনলাইন ডেস্ক, ৩১ জানুয়ারি।। দেশে বিপুল পরিমাণ চাহিদা রয়েছে। কিন্তু সেই চাহিদা মিটিয়েও একের পর এক দেশে করোনার টিকা পাঠাচ্ছে ভারত। প্রতিদিনই একের পর এক নতুন দেশ থেকে নরেন্দ্র মোদি সরকারের কাছে আসছে টিকা পাঠানোর অনুরোধ। এই মুহূর্তে টিকা উৎপাদন করে তা বিভিন্ন দেশের হাতে তুলে দিতে গিয়ে নাজেহাল হচ্ছে সরকার। কারণ যে দুই সংস্থা টিকা উৎপাদন করছে তাদের উৎপাদনের একটা সীমা আছে।
এখনও পর্যন্ত নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশ, সেসেলস, বাহরিন, ব্রাজিল, মাঙ্গোলিয়া, ফিলিপিন্স, মরিশাস, মালদ্বীপের মত ২২টি দেশকে ভারত টিকা পাঠিয়েছে। এবার ওমান এবং মিশরেও পৌঁছে গেল ভারতের তৈরি টিকা। বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর রবিবার টুইট করে ওমান ও মিশরে ভারতীয় টিকা পৌঁছে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেন। তবে শুধু টিকা নয়, করোনা মহামারীর শুরুতে ভারত আমেরিকা-সহ বিশ্বের প্রথম সারির বিভিন্ন দেশে করোনার ওষুধ হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ট্যাবলেট রফতানি করে বিশেষ নজির তৈরি করেছিল।
একসময় গোটা বিশ্বে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন নিয়ে হাহাকার পড়ে গিয়েছিল। সে সময়ে বিশ্বের ১৪০ টি দেশের কাছে ওই ট্যাবলেট পৌঁছে দিয়ে নজির গড়েছিল নরেন্দ্র মোদি সরকার। এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত হারে ভারতে টিকাকরণ চলছে। এমনকি, আমেরিকা, ব্রিটেনের মতো উন্নত দেশগুলি ভারতের কাছে এ ব্যাপারে পিছিয়ে পড়েছে। দেশের মোট ৩০০৬ টি কেন্দ্রে টিকাকরণ চলছে।
এই মুহূর্তে ভারতের লোক সংখ্যা ১৩৫ কোটিরও বেশি। প্রত্যেককে দু’টো করে ডোজ দিতে হলে প্রয়োজন ২৭০ কোটি ডোজ। সেই বিপুল চাহিদা মিটিয়েও প্রতিদিনই একের পর এক নতুন দেশকে টিকা দিয়ে চলেছে মোদি সরকার। ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার একাধিক দেশ, অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশ থেকেও টিকার বরাত দেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিটি দেশকেই ভারত টিকা পাঠাবে। তবে টিকা উৎপাদনের জন্য কিছুটা সময়ের প্রয়োজন।