অনলাইন ডেস্ক, ২৬ ডিসেম্বর।। করোনার নতুন স্ট্রেন মিউট্যান্ট ভাইরাসের আতঙ্কে ভুগছে গোটা বিশ্ব। এরই মধ্যে ইনস্টিটিউট অফ জিনোমিক্স এন্ড ইন্টিগ্রেটেড বায়োলজির শীর্ষ বিজ্ঞানী অনুরাগ আগরওয়াল জানালেন, ভারতে একই ধরনের স্ট্রেনের খোঁজ মিলেছিল মার্চ মাসে।
আগরওয়াল আরও বলেছেন, ভারতে যে সময়ে করোনা লাগামছাড়া হচ্ছিল তখনই এই সুপার স্প্রেডারকে চিহ্নিত করা হয়েছিল। মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যেই করোনা ভারতে লাগামছাড়াভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল।
তবে করোনার সেই নতুন স্ট্রেন খুব একটা ছড়িয়ে পরতে পারেনি। জুন মাসের মধ্যেই ওই স্ট্রেন সম্পূর্ণ নির্মূল হয়ে গিয়েছিল। আইজিআইবির ডিরেক্টর অনুরাগ আরও বলেছেন, ভারতে করোনার একাধিক মিউট্যান্ট স্ট্রেনের খোঁজ মিলেছে। আবার দুর্বল স্ট্রেনের দেখাও মিলেছে।তবে সে সময় করোনার ওই নতুন স্ট্রেন খুব বেশি মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারেনি।
কোনওভাবে ওই স্ট্রেন দুর্বল হয়ে পড়েছিল। তাই মাস কয়েকের মধ্যেই পুরোপুরি নির্মূল হয়ে যায়। ওই গবেষক আরও জানিয়েছেন, ভারতে যে স্ট্রেন পাওয়া গিয়েছিল তার নাম দেওয়া হয় এ-৪। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকেই এই নতুন স্ট্রেন ছড়িয়েছিল।
দিল্লি, কর্নাটক ও হায়দরাবাদের কোভিড আক্রান্তদের নমুনায় এই স্ট্রেনের খোঁজ পাওয়া যায়। দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারত এই স্ট্রেন। অর্থাৎ ব্রিটেনের স্ট্রেনের মতোই ওই স্ট্রেন ছিল সুপার স্প্রেডার। তবে ভাগ্যক্রমে মাস দু’য়েকের মধ্যেই ওই স্ট্রেন নির্মূল হয়ে যায়।
শক্তিশালী স্ট্রেনের মতই ভারতে দুর্বল স্ট্রেনেরও হদিশ মিলেছে। বিজ্ঞানীদের দাবি, করোনা ভাইরাস এতবার জিনের গঠন বদলেছে এবং এখনও বদলে চলেছে যে তার প্রতিটা স্ট্রেনই একে অন্যের থেকে আলাদা।