অনলাইন ডেস্ক, ৯ ডিসেম্বর।। গোরক্ষা ও নিধন প্রতিরোধ সংক্রান্ত একটি বিশেষ বিল পাস হল কর্নাটক বিধানসভায়। এই বিল পাসের আগে রীতিমতো ঘটা করে গরু পুজো করা হল বিধানসভা চত্বরে। অন্যদিকে গরু এবং গোশালা সংরক্ষণের উৎসাহ দিতে এদিন ‘কাউ ক্যাবিনেট’ বা গো মন্ত্রক গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মধ্যপ্রদেশ সরকার। উল্লেখ্য, এই রাজ্যেও বিজেপি ক্ষমতায় রয়েছে। কর্নাটকের পশু সুরক্ষা মন্ত্রী প্রভু চৌহান এদিন বলেন, রাজ্যের ছয় কোটি মানুষ ও বরিষ্ঠ নেতাদের আশীর্বাদ রয়েছে আমাদের উপর। গো-রক্ষা ও গো নিধন বন্ধ করতে মুখ্যমন্ত্রী এবং আমাদের দলের নেতারা আমাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। সে দায়িত্ব পালন করতে পেরে আমি খুশি।
এজন্য আমি মুখ্যমন্ত্রী ও দলের নেতাদের ধন্যবাদ জানাই। এই প্রথম বিধানসভা চত্বরে গরু পুজোর আয়োজন করা হল। গরু আমাদের মায়ের মতো। তাই পশু সুরক্ষার জন্যই এই বিল আনা হয়েছে। অন্যদিকে রাজ্য বিজেপির পক্ষ থেক টুইট করে এই নতুন বিল পাস হওয়ার কথা জানানো হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে টুইট করা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পার নেতৃত্বাধীন সরকার আরও একটি প্রতিশ্রুতি পূরণ করল। এদিন রাজ্য বিধানসভা অধিবেশন শুরুর আগে বিধানসভা চত্বরে রীতিমতো ঘটা করে গরু পুজোর আয়োজন করা হয়।
শাসক দলের প্রায় সব মন্ত্রী ও বিধায়ক এই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন। উল্লেখ্য, কর্নাটক বিধানসভায় পাস হওয়া এই বিল আইনে পরিণত হলে কর্নাটকে গো হত্যা পুরোপুরি নিষিদ্ধ হবে। এছাড়াও গরু পাচারকারীদের কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হবে। এদিন অধিবেশনে কংগ্রেস বিধায়করা ‘গবাদিপশু নিধন রোধ ও সংরক্ষণ বিল ২০২০’-র তীব্র বিরোধিতা করেন। কিন্তু বিরোধিতার মধ্যেও এই বিল পাস করিয়ে নেয় ইয়েদুরাপ্পা সরকার। উল্লেখ্য, এর আগে গরু সংরক্ষণের জন্য বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশে আইন তৈরি হয়েছে। রাজ্যে গো হত্যা বন্ধ করতে চলতি বছরের শুরুতেই অর্ডিন্যান্স জারি করে যোগী আদিত্যনাথ সরকার।