অনলাইন ডেস্ক, ২৭ ফেব্রুয়ারী।। নারীশিক্ষা রুখতে বিদ্যালয়ের শখানেক ছাত্রীকে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে ইরানে। আর এই অভিযোগের কথা জানিয়েছেন খোদ ইরানের উপস্বাস্থ্যমন্ত্রী ইউনুস পানাহি।
নারীশিক্ষার বিরোধেই বিরোধীরা এমন কাজ করেছেন বলছেন তিনি। তেহরান থেকে সামান্য দূরে ইরানের কম শহরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো। কমের পার্শ্ববর্তী একটি শহরের স্কুলেও একই ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে এক ধরনের গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছিল। এছাড়া মেয়েদের ফুসফুসে বিষের চিহ্ন মিলেছে। তবে যে রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছিল, তা ভয়াবহ নয়। এছাড়া যে ছাত্রীদের দেহে ওই রাসয়নিক মিলেছে, তাদের চিকিৎসা শুরু হয়েছে।
তাদের সকলের অবস্থাই এখন স্থিতিশীল। মূলত, গত ডিসেম্বর থেকে একাজ শুরু হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। গত কয়েকদিনে বহু ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ে। কমের পার্শ্ববর্তী শহরে গত এক সপ্তাহে ৫০ জন ছাত্রীকে হাসপাতালে পাঠাতে হয়। কমেও বহু ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় গভর্নর, পার্লামেন্টে হেলথ কমিটির এক সদস্যও ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন। তবে এই ঘটনার সঙ্গে কারা যুক্ত, তা স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। মেয়েদের স্কুল বন্ধ করতেই যে এই চক্রান্ত হয়েছে, তা মেনে নিয়েছেন দেশের মন্ত্রী।