অনলাইন ডেস্ক, ৯ জুলাই।। আততায়ীর গুলিতে নিহত জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের মরদেহ টোকিওতে তার বাড়িতে নেওয়া হয়েছে। সোমবার আনুষ্ঠানিকতা শেষে মঙ্গলবার শিনজো আবের শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে।
গতকাল শুক্রবার সকালে নির্বাচনী প্রচারণার অনুষ্ঠানে ঘাতকের গুলিতে প্রাণ হারান ৬৭ বছর বয়সী শিনজো আবে। হত্যাকাণ্ডের তদন্তকারী পুলিশ বলছে যে সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তি একটি ‘নির্দিষ্ট সংস্থার’ বিরুদ্ধে ক্ষোভ পোষণ করেন। তারা আরও জানায়, ৪১ বছর বয়সী হামলাকারী তেতসুয়া ইয়ামাগামির বিশ্বাস ছিল যে শিনজো আবেও রয়েছেন এতে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে যে, ইয়ামাগামি বাড়িতে তৈরি বন্দুক দিয়ে গুলি করার কথা স্বীকার করেছেন। টোকিওতে তার বাসভবনে আবের মরদেহ বহনকারী একটি গাড়ি আসার অপেক্ষায় ছিলেন ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সদস্যরা।
তারা কালো পোশাক পরে শ্রদ্ধা জানাতে যান নেতাকে। আবে জাপানের সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তার মৃত্যু এমন একটি দেশকে গভীরভাবে মর্মাহত করেছে যেখানে বন্দুক দিয়ে হত্যা বা অপরাধ খুবই বিরল।
জাপানের পশ্চিমাঞ্চলের নারা শহরে নির্বাচনী বক্তব্য দেওয়ার সময় পেছন থেকে গুলি করা হয় ৬৭ বছর বয়সী জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবেকে।
হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান তিনি। জাপানের মতো শান্তিপূর্ণ দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ওপর হামলার ঘটনায় স্তম্ভিত গোটাবিশ্ব। শিনজো আবে বর্তমানে জাপানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না।
কিন্তু জাপানে তিনি বড় এক ব্যক্তিত্বের নাম, ক্ষমতাধর একজন মানুষ। গত তিন দশকের মধ্যে তাকেই জাপানের সবচেয়ে খ্যাতিমান রাজনীতিবিদও বলা হয়। শিনজো আবের মৃত্যু চরমভাবে ধাক্কা দিয়েছে জাপানের মানুষকে।