স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা, ২ জুলাই।। মণিপুরে ভূমিধসে শহীদ জওয়ানদের শবদেহ তাঁদের বাড়িতে পাঠানো হচ্ছে। শিলিগুড়ির বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে ১৪ জন সেনা কর্মীদের মৃতদেহ বিমানবাহিনীর ২টি বিমান এবং সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার দ্বারা সম্পূর্ণ সামরিক সম্মানের সাথে তাঁদের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।
টানা ৭২ ঘণ্টা পরে মাটির তলায় চাপা দেহগুলিতে পচন ধরেছে। উদ্ধারকারী দলের পক্ষে ভিতরে ঢোকা যেমন কঠিন তেমনি বিষাক্ত পরিবেশ। ঠিক কতজন ধসে মৃত তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে কারোর পক্ষেই বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মৃত্যুপুরী মণিপুরের টুপুল স্টেশন এলাকা।
নোনে জেলায় বিশ্বের সর্বোচ্চ রেলসেতু নির্মাণ কাজে যুক্ত শ্রমিক ও তাদের পাহারায় টেরিটোরিয়াল আর্মি জওয়ানদের মৃত্যু মিছিল চলছে। ধস সরিয়ে ভিতর থেকে পচে ফুলে যাওয়া দেহগুলি বের করছেন সেনা জওয়ান ও এনডিআরএফ কর্মীরা। পিটিআই জানাচ্ছে শনিবার সকালে নিহতের সংখ্যা ৮০ পার করেছে।
এদের মধ্যে ১৮ জনই সেনা জওয়ান। এখনও নিখোঁজ ৫৫ জন। উদ্ধারকাজ শেষ হতে আরও সময় লাগবে। টুপুল স্টেশনের কাছে ইজাই নদীর উপর দিয়ে রেলসেতু বানানোর কাজ চলছিল।
স্থানীয় কয়েকজন বেশকিছু দেহ ইজাই নদী দিয়ে বয়ে যেতে দেখেছেন। কয়েকজনের দেহ নদীর ধার থেকে উদ্ধার করা হয়। উত্তর পূর্ব রেল জানাচ্ছে, আপাতত সেতু তৈরির কাজ বন্ধ। অসম রাইফেলস ও সেনা জানাচ্ছে, নিহত জওয়ানদের মধ্যে ১০ জন পশ্চিমবঙ্গবাসী। তারা দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি জেলার বাসিন্দা।
হেলিপ্টারে দেহগুলি পাঠানো হয়েছে। বুধবার রাতে অতি বৃষ্টির কারণে মনিপুরের নোনে জেলার টুপুলে ধস নামে। এখানেই উত্তর পূর্ব রেলের জিরিবাম- টুপুল-ইম্ফল-ইম্ফল বিভাগের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ টুপুল স্টেশনের কাছে বিশ্বের সর্বোচ্চ রেলসেতু নির্মাণ কাজ চলছিল।