অনলাইন ডেস্ক, ৩০ জুন।। ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা হিসেবে অতিরিক্ত এক বিলিয়ন ব্রিটিশ পাউন্ড দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য। যাতে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে পারে ইউক্রেনীয় সৈন্যরা।
নতুন এই অর্থসহায়তায় কিয়েভে সামরিক খাতে ২.৩ বিলিয়ন দেওয়া হবে এবং ইউক্রেনের জন্য মানবিক এবং অর্থনৈতিক সহায়তা হিসেবে অতিরিক্ত ১.৫ বিলিয়ন পাউন্ড খরচ করবে যুক্তরাজ্য। ইউক্রেন যুদ্ধে আরও সহায়তা করার জন্য ন্যাটোর প্রতি প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির আহ্বানের পরই যুক্তরাজ্য এই ঘোষণা দেয়।
জেলেনস্কি ন্যাটোর নেতাদের বলেছিলেন যে, যুদ্ধে ইউক্রেনের মাসিক প্রতিরক্ষা খরচ প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার (৪.১২ বিলিয়ন পাউন্ড)। ইউক্রেনে সামরিক সহায়তার হাত বাড়ানোর দেশ হিসেবে যুক্তরাজ্য দ্বিতীয়। সহায়তাকারী প্রথম দেশ যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ইউক্রেনের জন্য ৪০ বিলিয়ন ডলারের প্যাকেজ অনুমোদন দিয়েছে।
যুক্তরাজ্য সরকার বলছে, নতুন এই সহায়তার অর্থ খরচ হবে অত্যাধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোন, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি এবং গুরুত্বপূর্ণ কিট কেনায়। অতিরিক্ত এই সহায়তা ঘোষণা করে যুক্তরাজ্য সরকার বলছে, এই সরঞ্জামাদি রাশিয়ার কাছে ইউক্রেনের হারানো অঞ্চল পুনরুদ্ধারে প্রথম ধাপে সহায়তা করবে।
কিন্তু এই সহায়তা যথেষ্ট কিনা তা প্রশ্ন থেকেই যায়। বুধবার মাদ্রিদে ন্যাটোর সম্মেলনে ভিডিওকলে যোগ দিয়ে জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ার কামান সুবিধাকে ভেঙে দিতে তাদের আরও অত্যাধুনিক অস্ত্র এবং কামানের প্রয়োজন।
‘রাশিয়া প্রতিদিন যুদ্ধে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করছে। কিন্তু আমাদের বহু বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি রয়েছে, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মতো আমাদের কোনো তেল নেই, গ্যাস নেই। ’ বলেন জেলেনস্কি।