অনলাইন ডেস্ক, ৩০ জুন।। রাশিয়ার বিরুদ্ধে একগুচ্ছ প্রস্তাব নেওয়া হলো ন্যাটোর বৈঠকে। একইসঙ্গে চীনকেও বিপদের তালিকায় রাখা হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ এতবড় নিরাপত্তা সংকটে পড়েনি, বুধবার এই ভাষাতেই রাশিয়াকে আক্রমণ করেছেন ন্যাটোর প্রধান জেনস স্টলটেনবার্গ। একইসঙ্গে তিনি ইউক্রেনকে আশ্বাস দিয়ে বলেছেন, যতদিন যুদ্ধ চলবে, ততদিন কিয়েভকে সাহায্য করবে ন্যাটো।
মাদ্রিদে শুরু হয়েছে ন্যাটোর বার্ষিক সম্মেলন। সেখানেই এই ঘোষণা করেছেন ন্যাটো প্রধান। তিনি জানিয়েছেন, রাশিয়া ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু করার পর ন্যাটো তাদের পরিকল্পনায় বড় ধরনের বদল এনেছে। নতুন করে ন্যাটোর বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে নিজেকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করছে ন্যাটো।
একসময় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ন্যাটোকে অকার্যকর সংস্থা বলে সমালোচনা করেছিলেন। ন্যাটো ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ারও হুমকি দিয়েছিলেন। ২০১৯ সালে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইম্মানুয়েল ম্যাখোঁ বলেছিলেন, ন্যাটোর ব্রেন ডেথ হয়েছে। স্টলটেনবার্গ এদিন জানিয়েছেন, রাশিয়ার যুদ্ধ ন্যাটোকে নতুন করে জাগিয়ে তুলেছে। এবারের সম্মেলনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সেনার সংখ্যা বৃদ্ধি।এদিন ন্যাটোর ‘স্ট্র্যাটেজিক কনসেপ্ট’ ঘোষণা করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, সেনার সংখ্যা ৪০ হাজার থেকে তিন লাখ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইউরোপের বিভিন্ন স্ট্র্যাটেজিক জায়গায় এই সেনারা আপাতত হাই অ্যালার্টে থাকবে। একইসঙ্গে বাল্টিক সাগর অঞ্চলে এবং পোল্যান্ডে ভারি অস্ত্র সরবারহ করা হবে।
যে কোনো সময় যাতে তা ব্যবহার করা যায়, তা দেখা হবে। ন্যাটো জানিয়েছে, যতদিন ইউক্রেনের যুদ্ধ চলবে, ততদিন ন্যাটো তাকে সাহায্য করবে। সামরিক সাহায্যের পাশাপাশি চিকিৎসা সংক্রান্ত এবং মানবিক সাহায্যও করা হবে। ইউক্রেনের সেনাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যাপারেও কিয়েভকে আশ্বাস দিয়েছে ন্যাটো।