স্টাফ রিপোর্টার, বিলোনীয়া, ২৯ জুন।। পনের জন্য রক্তাক্ত স্ত্রী। অভিযোগ হত্যার উদ্দেশ্যেই ব্লেইড দিয়ে স্ত্রীকে গলায় এবং বুকে আঘাত করে স্বামী। বর্তমানে বিলোনিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রুমালা দাস নামে এক গৃহবধূ । ঠিক মতো কথা বলতে পারছেনা আহত রুমালা দাস।
গত সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটে বিলোনিয়া মহকুমাধীন ঋষ্যমুখ ব্লকের হরিপুর এলাকায়। আহত স্ত্রী চিকিৎসা সেরে স্বামী সুব্রত মালাকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করবেন বলে জানা যায়। সামাজিক রীতিনীতি মেনে তের বছরের আগে সুব্রত মালাকারের সাথে রুমালা দাস পারিবারিক বন্ধনে আবদ্ধ হয় ।
জানাযায় রুমালা দাসের স্বামীর বাড়ি ঋষ্যমুখ ব্লকের হরিপুর এলাকায়,রুমালার বাপের বাড়ি মাধবনগর এলাকায়, রুমালা দাস দুই সন্তানের জননী। অভিযোগ পনের জন্য বিয়ের কয়েক দিন পর থেকেই রুমালা দাসকে উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো স্বামী সহ শ্বশুর বাড়ির লোকজনেরা। স্বামী সুব্রত নেশায় বুঁদ হয়ে ঘরে ফিরে এসে যে কোন বিষয়কে কেন্দ্র করে মারধর শুরু করতে থাকে।
এই রুমালা দাসের মা বাবা কেউ নেই। ভাইয়ের কাছ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা এনে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে বলে অভিযোগ রুমালার বড় বোনের । স্বামীর অত্যাচারের মাত্রা দিন দিন বেড়ে যাওয়াতে ভাইকে বলার পর ধারদেনা করে বোনের হাতে পঞ্চাশ হাজার টাকা তুলে দেয় , তারপরেও খাই মেটেনি লম্পট স্বামীর।
আরও টাকার জন্য অত্যাচারের মাত্রা বাড়িয়ে তুলল লম্পট , গত সোমবার পনের বিষয় নিয়ে এবং টাকা এনে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকলে তখন স্বামী স্ত্রীরমধ্যে বাকবিতণ্ডা বেধে যায়, স্ত্রী রুমেলা ঘরের আলো নিভিয়ে শুয়ে পড়ার পর, অন্ধকারের মধ্যে স্ত্রী রুমালার উপর ব্লেড দিয়ে গলায় ও, বুকেও পোচ দিতে থাকে। রুমেলার চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করলে দুই সন্তান ঘুম থেকে জেগে উঠার পর স্বামী সুব্রত ঘর থেকে পালিয়ে যায় ।
রুমেলার বাপের বাড়ির লোকজন খবর পেয়ে পরেরদিন ছুটে গিয়ে চিকিৎসার জন্য আহত রুমালা দাসকে নিয়ে আসে বিলোনিয়া হাসপাতালে। বুধবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুমেলা সংবাদমাধ্যমের সামনে বিষয়গুলি জানান, বর্তমানে রুমেলা বিলোনীয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।