অনলাইন ডেস্ক, ২৬ জুন।। আগামী সপ্তাহে যিনি ইসরায়েলের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন, এক জরুরি সফরে তিনি তুরস্কে গেছেন। তুরস্কে ইসরায়েলি পর্যটকদের ওপর ইরানি এজেন্টরা হামলা চালাতে পারে এমন আশঙ্কার মধ্যেই তার এই সফর। ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে যে ছায়াযুদ্ধ চলছে এসব ঘটনার মধ্য দিয়ে সেটা যেন আরো বেশি উন্মুক্ত হয়ে পড়ছে।
বছরের পর বছর ধরে ইরান ও ইসরায়েল একে অপরের বিরুদ্ধে নানা ধরনের গোপন তৎপরতা চালিয়ে আসছে। ইসরায়েল ইরানকে তাদের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি বলে মনে করে। ইরানও ইসরায়েলকে বিবেচনা করে তাদের শত্রু হিসেবে যারা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আছে।
এছাড়াও ইরানের আঞ্চলিক শক্তি হয়ে ওঠার বিরুদ্ধে ইসরায়েলকে তারা একটি বড় বাধা হিসেবেই দেখে। ঘটনাবলী নাটকীয় মোড় নেয় ২০২০ সালে যখন ইরানের নেতারা তাদের শীর্ষস্থানীয় পরমাণু বিজ্ঞানী মহসিন ফখরিজাদেহর হত্যার জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করতে শুরু করেন।
রাজধানী তেহরানের বাইরে গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ইরানের অভিযোগ যে তাকে দূর-নিয়ন্ত্রিত মেশিন গান দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ইসরায়েল এই অভিযোগ স্বীকার করেনি এবং প্রত্যাখ্যানও করেনি।
মহসিন ফখরিজাদেহ ইরানের পঞ্চম পরমাণু বিজ্ঞানী, যারা ২০০৭ সালের পর আততায়ীদের হাতে খুন হয়েছেন। পরে ইসরায়েলি গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের সাবেক প্রধান বলেন যে এই বিজ্ঞানী ‘বহু বছর ধরেই’ ইসরায়েলের টার্গেট ছিলেন।