অনলাইন ডেস্ক, ৩১ মে।। সব ঠিকঠাক চললে জুন মাসের শেষ সপ্তাহে বসার কথা রাজ্য বিধানসভার বাদল অধিবেশন। সেই অধিবেশনেই পেশ করার কথা আচার্য বিলের। রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্যসরকারের বিরোধ আরও তুঙ্গে ওঠার আশংকা এই আচার্য বদলের বিলকে কেন্দ্র করে। রাজ্যপালকে সরিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে আচার্য করতে রাজ্যসরকার।
এছাড়াও এই অধিবেশনেই পাশ করানোর কথা বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসিটর বদলে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে নিয়োগের বিষয়টি। এই পুরো বিষয়টি নিয়ে বিতর্কের ঝড় ওঠার প্রবল সম্ভাবনা এমনটাই বলছেন রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহল। খুব সম্প্রতি রাজ্য মন্ত্রীসভার বৈঠকে এই নিয়োগের সিদ্ধান্তও পাশ হয়েছে।
তবে প্রশাসনিক মহলের একাংশের কথায় রাজ্যপালকে আচার্য পদ থেকে সরাতে যে বিল তা কিন্তু অনুমোদনের জন্য পাঠাতে হবে সেই রাজ্যপালের কাছেই। তা যদি রাজ্যপাল সই করেন তবেই তা পরিনত হবে আইনে। কিন্তু রাজ্যপাল কি আদৌও সেই বিলে সই করবেন? আর তিনি যদি সাক্ষর না করেন তাহলে আইনে তা পরিনতও হবেনা।
উল্লেখ্য কিছুদিন আগেই তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন রাজ্যপালদের ক্ষমতা খর্বের ইস্যুতে সরব হন। স্ট্যালিন সাফ বলেন অনেকরাজ্যেই কেন্দ্রের শাসকদলের তল্পিবাহক হয়ে কাজ করছেন রাজ্যপালরা। তামিলনাড়ুর রাজ্যপালের সঙ্গেও তুঙ্গে ওঠে সংঘাত।