স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ২৪ এপ্রিল।। পঞ্চায়েতীরাজ ব্যবস্থার সুফল সম্পর্কে আমরা সবাই অবহিত। দেশের গণতন্ত্রের ভিতকে শক্তিশালী করতে পঞ্চায়েতীরাজ ব্যবস্থার বিকল্প নেই।
আজ ডুকলি ব্লকের বিআরসি হলে জাতীয় পঞ্চায়েতীরাজ দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে সমবায় মন্ত্রী রামপ্রসাদ পাল একথা বলেন। তিনি বলেন, রাজ্যের উন্নয়নকে আরও সুদৃঢ় করতে পঞ্চায়েতীরাজ ব্যবস্থা নিয়ে আমাদের ব্যাপকভাবে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
সারা দেশের সাথে আমাদের রাজ্যেও ক্রমে পঞ্চায়েতীরাজ ব্যবস্থার সুফল পাওয়া যাচ্ছে। তার প্রমাণ এবছর জাতীয় পঞ্চায়েতীরাজ দিবস উপলক্ষে উন্নয়ন কাজের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার থেকে পাওয়া ৮টি পুরস্কার। এই পুরস্কারের তালিকায় ডুকলি পঞ্চায়েত সমিতি এবং এই ব্লকের ঈশানচন্দ্রনগর পঞ্চায়েতও রয়েছে। তিনি বলেন, শুধু একটি গ্রাম পঞ্চায়েত নয় আমাদের সবকটি গ্রাম পঞ্চায়েতকেই নানা উন্নয়ন কাজ স্বচ্ছভাবে করতে হবে।
যাতে সবগুলি গ্রামই একটি আধুনিক উন্নত গ্রাম হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। শুধুমাত্র পুরস্কার পাব সেই আশাতেই কাজ করলে চলবে না। একটি আদর্শ গ্রাম পঞ্চায়েত গড়ে তুলতে হবে। মানুষের উন্নয়নে ও কল্যাণে পঞ্চায়েতীরাজ ব্যবস্থাকে আমরা ব্যাপকভাবে ব্যবহার করবো। এই উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়েই কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডুকলি পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান অজয় দাস।
তিনি বলেন, পঞ্চায়েত সমিতি ও ঈশানচন্দ্রনগর পঞ্চায়েতের পুরস্কারের অর্থ গ্রামের মানুষের আর্থাসামাজিক মানোন্নয়নে ব্যয় করা হবে। গত বছরও এই পঞ্চায়েত সমিতি উন্নয়ন কাজের জন্য ২৫ লক্ষ টাকা পুরস্কার পেয়েছে। ব্লকের সমস্ত পঞ্চায়েতগুলির উন্নয়নে এই অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। এবছরও তা করা হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডুকলি পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান দুলাল চন্দ্র সরকার।
সমবায় মন্ত্রী রামপ্রসাদ পাল অনুষ্ঠানে ডুকলি পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান অজয় দাস ও ঈশানচন্দ্রনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডুকলি ব্লকের বিডিও বিপুল দাস। ভাষণে তিনি পঞ্চায়েতীরাজ দিবসের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সদস্য সঞ্জীবন দাস, বিশিষ্ট সমাজসেবী সন্তোষ চৌধুরী।