অনলাইন ডেস্ক, 22 ফেব্রুয়ারী।। পূর্ব ইউক্রেনের বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত দুটি অঞ্চল- দোনেৎস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর সেখানে সেনা পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।স্থানীয় সময় সোমবার রাতে পুতিন এই ঘোষণা দেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
এর আগে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিয়ে এ সংক্রান্ত ডিক্রিতে স্বাক্ষর করেন পুতিন। বাকি আনুষ্ঠানিকতা দেশটির পার্লামেন্টে হবে।
ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে কয়েক দিন ধরে রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী ও ইউক্রেনীয় সেনাদের মধ্যে তুমুল উত্তেজনা-সংঘাতের মধ্যে পুতিনের এ ঘোষণাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।
বিবিসির মস্কোর সংবাদদাতা স্টিভ রোসেনবার্গ বলছেন, অনেক বছর আগে যখন রাশিয়া প্রথম পূর্ব ইউক্রেনে সৈন্য সমাবেশ ঘটায়, তখন মস্কোই মূলত এই বিদ্রোহী অঞ্চল সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু তাদের স্বাধীনতার ব্যাপারে ভ্লাদিমির পুতিনের এই আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ‘ইতিহাস বদলে দেওয়া একটি মুহূর্ত’।
প্রথমত, এটা মূলত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পাওয়া শান্তি প্রক্রিয়াকে মেরে ফেলা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় পুতিন নিজেও অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলেন।
একই সঙ্গে পূর্ব ইউক্রেনে একটা বড় ধরনের সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা তৈরি করেছে।
বিদ্রোহী অঞ্চলকে স্বীকৃতি দিয়ে পুতিন দুটি ডিক্রিতে সই করেন। সেখানে বলা হয়েছে, রাশিয়ার সেনাবাহিনী সেখানে ‘শান্তিরক্ষার কাজে’ নিয়োজিত থাকবে। তবে ‘শান্তিরক্ষার কাজে’ নিয়োজিত থাকার অর্থ আসলে কী সেটি নির্দিষ্ট করে বলেনি রাশিয়া।
রাশিয়া এবং ইউক্রেনের বিশ্লেষকরা বলছেন, পুতিন এখন ‘আনুষ্ঠানিকভাবে’ ইউক্রেনের বিদ্রোহী এলাকাতে রুশ সৈন্য পাঠাতে পারবেন।
[slickly _ligo _carousel id=”47536″]