অনলাইন ডেস্ক, ১৯ ফেব্রুয়ারী।। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানালেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে হামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এ বিষয়ে তিনি নিশ্চিত। খুব শিগগিরই অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটতে পারে।
বিবিসি জানায়, আগের মতো এবারও গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়েছেন তিনি। যেখানে বলা হচ্ছে, ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। যদিও বরাবরই এ ধরনের কোনো পরিকল্পনার কথা অস্বীকার করে যাচ্ছে রাশিয়া।
পশ্চিমা দেশগুলো আশঙ্কা প্রকাশ করে বলে আসছে, প্রতিবেশী দেশের পূর্বাঞ্চলে ভুয়া কিছু সংকট দেখিয়ে হামলা করবেন পুতিন। যুক্তরাষ্ট্র জানায়, ‘ইউক্রেনে ও এর কাছাকাছি’ এলাকায় ১ লাখ ৬৯ হাজার থেকে ১ লাখ ৯০ হাজারের মতো রাশিয়ার সেনা রয়েছে। এর মধ্যে ইউক্রেনের রুশ-সমর্থিত বিদ্রোহীদেরও ধরা হয়েছে।
হোয়াইট হাউস থেকে একটি টেলিভিশন ভাষণে শুক্রবার বাইডেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ‘বিশ্বাস করার কারণ’ রয়েছে যে রাশিয়ান বাহিনী ‘আগামী সপ্তাহে, আগামী দিনে ইউক্রেনে আক্রমণ করার পরিকল্পনা ও পরিকল্পনা করছে’। পুতিনকে নির্দেশ করে বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি নিশ্চিত যে তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন’।
যদিও এর আগে বাইডেন ও তার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বলেছিলেন যে, তারা এই বিষয়ে জানেন না। তবে রাশিয়া ‘এখনো কূটনীতি বেছে নিতে পারে’ বলে উল্লেখ করেন তিনি। এর আগে শুক্রবার দুটি বিচ্ছিন্নতাবাদী এলাকার নেতারা বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
তারা জানায়, ইউক্রেন গোলাগুলি তীব্রতর করেছে ও হামলার পরিকল্পনা করছে। তবে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা একে ‘রাশিয়ার বিভ্রান্তিমূলক প্রতিবেদন’ বলে বর্ণনা করেন। এদিকে ইউক্রেন, বেলারুশ সীমান্তে সেনা মহড়ার পর এবার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের উপস্থিতিতে ক্ষেপণাস্ত্র মহড়া শুরু করতে যাচ্ছে রাশিয়ার সেনাবাহিনী।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শনিবার থেকে এই মহড়া শুরু হবে। রুশ সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ কমান্ডার ইন চিফ ভ্লাদিমির পুতিনের উপস্থিতিতে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ক্ষেপণাস্ত্র মহড়া শুরু হচ্ছে। মহড়ায় ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ- দুই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রই ব্যবহার করা হবে।
[slickly _ligo _carousel id=”47536″]