অনলাইন ডেস্ক, ১৩ ফেব্রুয়ারী।। দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক জালিয়াতির ঘটনা সামনে এসেছে । মোদির রাজ্য গুজরাটের (Gujarat) এবিজি শিপইয়ার্ডের (ABG Shipyard) বিরুদ্ধে ২৮টি ব্যাঙ্কের মোট ২২ হাজার ৮৪২ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যে সিবিআই (CBI) মামলা রুজু করেছে জাহাজ নির্মাণ সংস্থার তিন কর্ণধার ঋষি অগরওয়াল, সন্থানম মুথুস্বামী ও অশ্বিনী কুমারের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এবার কেন্দ্রকে তোপ দাগল কংগ্রেস (Congress)।
কংগ্রেসের অভিযোগ, নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন এই সংস্থাকে বিপুল পরিমাণ জমি পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল। কংগ্রেসের দাবি, ২০১৮ সালেই এবিজি শিপইয়ার্ডের দুর্নীতির বিষয়টি নজরে এনেছিল কংগ্রেস। যদিও সেই কথায় আমল দেওয়া মোদি সরকার।
কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদীপ সুরজওয়ালা (Randeep Surjewala) বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রশ্ন করুন, এবিজি শিপইয়ার্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পাঁচ বছর লেগে কেন! কংগ্রেসের অভিযোগ, ২০০৭ সালে গুজরাট সরকার সুরাটের এই জাহাজ নির্মাণ সংস্থাকে ১, ২১, ০০ স্কোয়ার মিটার জমি দিয়েছিল। সেই সময় গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন আজকের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (এসবিআই)-সহ ২৮ টি ব্যাঙ্ক এবং আইসিসিআই ব্যাঙ্কের নেতৃত্বাধীন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের থেকে ২২,৮৪২ কোটি টাকার ঋণ নিয়েছিল এবিজি শিপইয়ার্ড। গুজরাটের সুরাত এবং দাহেজে যে সংস্থার কারখানা আছে।
শুধুমাত্র এসবিআইয়ের থেকে ২,৪৬৮.৫১ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল গুজরাটের সংস্থা। অভিযোগ, আইসিআইসিআই ব্যাংক (ICICI Bank) থেকে মোট ৭০৮৯ কোটি টাকা, আইডিবিআই ব্যাংক থেকে ৩৬৩৯ কোটি টাকা, স্টেট ব্যাংক থেকে ২৯২৫ কোটি টাকা, ব্যাংক অফ বরোদা থেকে ১৬১৪ কোটি টাকা এবং পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের সঙ্গে প্রতারণার অঙ্ক ১২৪৪ কোটি টাকা। বাকি টাকা অন্যান্য ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে তুলেছে।