অনলাইন ডেস্ক, ১ ফেব্রুয়ারি || বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের দাপট চলছে। এর মধ্যে কয়েকটি দেশে এর আরেকটি উপধরনের বিস্তার নিয়ে সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা।
বিজ্ঞানীরা ওমিক্রনের সাধারণ রূপটির নাম দিয়েছেন বিএ.১। এর মধ্যেই ওমিক্রনের আরেকটি উপধারা বিএ.২ ইউরোপ এবং এশিয়ার কিছু দেশে বিএ.১ কে ছাপিয়ে যেতে শুরু করেছে।
খবর রয়টার্স।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী ৯৮ দশমিক ৮ শতাংশ সংক্রমণের জন্য দায়ী এর বিএ.১ ধরন। কিন্তু কিছু কিছু দেশে বিএ.২ উপধারাটির সংক্রমণ এখন বাড়ছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
বিএ.১ এবং বিএ.২ ছাড়াও ওমিক্রনের আরও দুটি উপধারা বিএ.১.১.৫২৯ এবং বিএ.৩ তালিকাভুক্ত করেছে সংস্থাটি।
জিন বিন্যাসের বিবেচনায় সবগুলো উপধরনই ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। কিন্তু যেসব মিউটেশনের কারণে এদের আলাদা উপধারা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, সেই জিনগত পরিবর্তনের কারণেই এদের প্রত্যেকের আচরণে কিছু পার্থক্য রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, অন্যান্য ভেরিয়েন্টের মতো বিএ.২ এর সংক্রমণও করোনাভাইরাস পরীক্ষার র্যাপিড কিট দিয়ে শনাক্ত করা যায়। তবে ওই সংক্রমণের জন্য কোন ভ্যারিয়েন্ট দায়ী, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায় না।
প্রাথমিক কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, অতি সংক্রামক বিএ.১ ধরনটির চেয়েও বেশি সংক্রামক বিএ.২ উপধরনটি।
শিকাগোর নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি ফেইনবার্গ স্কুল অফ মেডিসিনের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ইগন ওজার বলেন, যারা বিএ.১ এ সংক্রমিত হয়েছিলেন, সেই অ্যান্টিবডির কারণে তারা বিএ.২ থেকে রক্ষা পাবেন কিনা, সেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
বিষয়টি নিয়ে ডেনমার্কও উদ্বিগ্ন। কারণ সেখানে যেসব এলাকায় বিএ.১ এর সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ছিল, এখন সেগুলোতে বিএ.২ এর বিস্তার বাড়ছে।