Myanmar: সেনা অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে মিয়ানমারের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা

অনলাইন ডেস্ক, ১ ফেব্রুয়ারি ||  অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গত বছরের ১ ফেব্রুয়ারি অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। এরপর দেশটিতে ছড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভ। নিরাপত্তার বাহিনীর হাতে মারা যায় প্রায় দেড় হাজার মানুষ। এ নিয়ে সারা বিশ্বের নিন্দা ও একাধিক তরফের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কোনো ছাড় দেয়নি সেনাবাহিনী।

 

 

সেই অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে আরেক দফা নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিল যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ। সোমবার এ কথা জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, অভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকীতে সামরিক জান্তার সঙ্গে যুক্ত কিছু ব্যক্তি ও সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

 

এ ছাড়া যুক্তরাজ্য ও কানাডা আলাদাভাবে নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিয়েছে।

 

নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন মিয়ানমারের ইউনিয়ন অ্যাটর্নি জেনারেল থিদা উ, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি তুন তুন উ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান টিন উ।

 

 

 

নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত দুটি সংস্থা হলো কেটি সার্ভিসেস অ্যান্ড লজিস্টিক কোম্পানি লিমিটেড এবং ডিফেন্স সার্ভিসের কমান্ডার-ইন-চিফের ডিরেক্টরেট অব প্রকিউরমেন্ট। যাদের বিরুদ্ধে সামরিক শাসনকে সমর্থন করার অভিযোগ রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।

 

নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তি ও সংস্থাগুলোর যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সব রকম সম্পদ বাজেয়াপ্ত থাকবে।

 

অভ্যুত্থানের পর থেকে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনের বড় মুখগুলো বন্দী রয়েছে।

 

ইতিমধ্যে সু চিসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে দণ্ড দিয়েছে আদালত।

যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করছে, মিয়ানমারের জান্তা সরকার ‘গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতার নৃশংস কর্মকাণ্ডে’ জড়িত।

 

ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি পার্টির নেত্রী সু চি, ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট এবং বিক্ষোভকারী, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকার বলেছে, অভ্যুত্থানের পর থেকে তাদের অন্যায়ভাবে আটক রাখা হয়েছে।

 

 

 

সামরিক কর্মকর্তারা ক্ষমতা দখলকে সমর্থন করার কারণ হিসেবে ২০২০ সালের নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে ব্যাপক জালিয়াতি হয়েছে বলে দাবি করে। ওই নির্বাচনে সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি বিশাল ব্যবধানে জয় লাভ করে। তবে মিয়ানমারের নির্বাচন কমিশন জালিয়াতির অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

 

চলমান করোনা মহামারির মধ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতা যোগ হওয়ায় মিয়ানমারে খাদ্যে দ্রব্যের দাম এবং বেকারত্বের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে অর্থনৈতিক সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে।

 

এ ছাড়া সু চির দল ক্ষমতায় থাকাকালে রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গাদের ওপর নতুন করে নির্যাতনে নামে সেনাবাহিনী। গণহত্যা, ধর্ষণ ও নিপীড়নের মুখে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।

 

ujjivan
sbi life
hero
hdfc
dailyhunt
bazar kolkata
adjebra

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?