অনলাইন ডেস্ক, ৩০ জানুয়ারী।। নারী অধিকার প্রশ্নে যখন আন্তর্জাতিক চাপে জেরবার আফগানিস্তানের তালেবান শাসকগোষ্ঠী, তখন ভিন্ন এক বার্তা দিচ্ছেন অবিবাহিত অন্তঃসত্ত্বা এক কিউই সাংবাদিক।
করোনায় কোয়ারেন্টাইন বিধিনিষেধের কারণে আলজাজিরা থেকে সদ্য পদত্যাগ করা শার্লট বেলিসকে দেশে ফিরতে দেয়নি নিউজিল্যান্ড। তখন বাধ্য হয়ে তালেবানের কাছে সাহায্য চান তিনি।
নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড-এ শনিবার প্রকাশিত এক কলামে বেলিস বলেন, ‘নির্মম স্ববিরোধী বিষয়’ হলো- একসময় নারীদের প্রতি আচরণের জন্য তিনি তালেবানকে যে প্রশ্ন করেছেন এবং আজ তাকে সেই একই প্রশ্ন করতে হচ্ছে নিজ সরকারকে।
‘যখন তালেবান তোমাকে- একজন অন্তঃসত্ত্বা, অবিবাহিত নারীকে নিরাপদ আশ্রয় দেয়, তখন তুমি বুঝতে পারো তুমি এক তালগোল পাকানো অবস্থায় রয়েছ’ যোগ করেন এই সাংবাদিক।
নিউজিল্যান্ডের কভিড-১৯ রেসপন্স মন্ত্রী ক্রিস হিপকিন্স হেরাল্ডকে জানান, বেলিসের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি-না কর্মকর্তাদের তা খতিয়ে দেখতে বলেছে তার দপ্তর, যেখানে ‘শুরুতেই মনে হয়েছে আরও ব্যাখ্যার প্রয়োজন রয়েছে’।
গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, মহামারী চলাকালে ভাইরাসের সংক্রমণ ন্যূনতম পর্যায়ে রাখতে সক্ষম হয়েছে নিউজিল্যান্ড। দেশটির ৫০ লাখ মানুষের মধ্যে করোনায় মাত্র ৫২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
কিন্তু নাগরিকদের দেশে ফিরলে সামরিক বাহিনী পরিচালিত কোয়ারেন্টাইন হোটেলে ১০ দিন আইসোলেশনে থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এতে দেশে ফিরতে হাজার হাজার মানুষ অপেক্ষমাণ থাকায় জট সৃষ্টি হয়েছে।
বিদেশে মারাত্মক পরিস্থিতির মধ্যে আটকে পড়া নাগরিকদের ঘটনাগুলো প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন ও তার সরকারের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।