অনলাইন ডেস্ক, ২৮ জানুয়ারী।। আমাদের সমাজে পণ নেওয়া এবং দেওয়া দু’টিই দন্ডনীয় অপরাধ। বধূহত্যার মত ঘটনা পণের কারণে মাঝে মাঝেই সামনে আসে। সমগ্র দেশজুড়েই এই ঘৃণ্য প্রথা বন্ধ করার চেষ্টা করা হলেও পুরোপুরি এখনও তা বন্ধ হয়নি। বরং এখনও পণ দেওয়ার একের পর এক অদ্ভুত সব খবর সামনে।
তবে রাজস্থানের ভরতপুর জেলার পুলিশ অফিসার নগদ ১ কোটি ১৫ লক্ষ ১০১ টাকার যৌতুক দেন তাঁর মেয়ের বিয়েতে । শুধু তাই নয়, অর্জুন সিং নামের ওই ইন্সপেক্টর তাঁর মেয়ে দিব্যার বিয়েতে বরের পক্ষ থেকে আলাদাভাবে এক লক্ষ টাকা খরচ করেছিলেন।
এছাড়াও প্রতিটি বরযাত্রীকে ৫১১ টাকা করে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। বিয়ের ওই মহা অনুষ্ঠানে কংগ্রেস বিধায়ক যোগেন্দ্র সিং আওয়ানা সহ তাঁর ছেলে হিমাংশু আওয়ানা, প্রাক্তন বিধায়ক ঘনশ্যাম মেহের সহ একাধিক কংগ্রেস নেতা উপস্থিত ছিলেন।
ইতিমধ্যেই বিয়ের অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও নেটমাধ্যমে ভাইরালও হয়েছে যেখানে এক ব্যক্তিকে যৌতুকের মোট টাকা ঘোষণা করতে দেখা গিয়েছে। ভিডিওতে ৫০০ টাকার নোটের বান্ডিল গুলিও দেখা যায়। গত ২৩ জানুয়ারি করৌলির বাসিন্দা দীপকের সঙ্গে বিয়ে হয়ে ওই ইন্সপেক্টরের মেয়ের। দীপক রাজ্য আবগারি দফতরে পরিদর্শক পদে নিযুক্ত।
এমনকি বিয়ের ওই অনুষ্ঠানে করোনার সমস্ত বিধিনিষেধ ভঙ্গ করা হয়। রাজস্থান সরকার করোনা সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা জারি করলেও অনুষ্ঠানে কোনো নির্দেশিকা মানা হয়নি। মোট ৮০০ জনকে বিয়েতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।