অনলাইন ডেস্ক, ২৬ জানুয়ারী।। যুক্তরাষ্ট্রে লবিস্ট নিয়োগের প্রশ্নে দেশের রাজনীতিতে তুমুল তর্ক-বিতর্ক দেখা যাচ্ছে। পাল্টাপাল্টি তথ্য দিয়ে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং বিরোধী দল বিএনপি।
র্যাব এবং এর সাতজন কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপটে লবিস্ট নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক সংসদ পর্যন্ত গড়িয়েছে। পাশাপাশি লবিস্টের কাজ ও নিয়োগের তাৎপর্য নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
কীভাবেই বা কাজ করে লবিস্ট?
বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে আইন প্রণেতাদের কাছে তথ্য তুলে ধরার জন্য লবিস্ট কাজ করে থাকেন।
তারা কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং এমনকি কোন দেশের পক্ষ নিয়ে বিভিন্ন ইস্যুতে প্রভাব বিস্তার করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আইন প্রণেতাদের তথ্য দিয়ে থাকে। এ ছাড়া সাধারণ মানুষের মাঝে প্রভাব বিস্তারের জন্যও তথ্য তুলে ধরা এই লবিস্টদের কাজ। এই পেশায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান বা ফার্ম রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে।
নিজের এক পরিসংখ্যানের উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, গত বছরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ৪৮০টি লবিস্ট ফার্ম বা প্রতিষ্ঠান ছিল।
লবিস্ট প্রতিষ্ঠানকে যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিসের কাছে নিবন্ধন করতে হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ড তদারকি করে দেশটির ন্যাশনাল সিকিউরিটি ডিভিশন।
ফরেন লবিস্ট এবং অভ্যন্তরীণ লবিস্ট-এই দুই ধরনের লবিস্ট রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটির ভেতরে ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করে থাকে অভ্যন্তরীণ লবিস্ট প্রতিষ্ঠানগুলো।