অনলাইন ডেস্ক, ২৪ জানুয়ারী।। করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) মহামারীতে যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে প্রাপ্তবয়স্কদের ওপরেই। শিশুদের নিয়ে সমস্যা ছিল তুলনামূলক অনেকটাই কম। তবে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন সেই চিত্র বদলে দিয়েছে।
ভারতে ওমিক্রনের দাপট বাড়ার পর থেকে শিশুদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের হার বেড়েছে। শিশুদের হাসপাতালে ভর্তির হারও বৃদ্ধি পেয়েছে।
চলতি মাসে শিশুদের হাসপাতালে ভর্তির গড় এক লাফে দৈনিক ৯১৪ জনে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকাদান নিয়ে অনলাইনে ছড়ানো অকারণ আতঙ্ক ছড়িয়েছে শিশুদের অভিভাবকদের মনে। ফলে টিকা নিয়ে অনীহার সরাসরি প্রভাব পড়ছে শিশুদের ওপরে।
ফিনিক্স চিলড্রেনস হাসপাতালের শিশু চিকিৎসক ওয়াসিম বালান বলেন, ‘অনেক অভিভাবকই মনে করেন টিকাগুলো অনেক দ্রুত বাজারে আনা হয়েছে। ফলে সেগুলো কতটা নিরাপদ তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন তারা। অনেকে মনে করছেন, টিকা তাদের প্রজনন ক্ষমতার ওপরে প্রভাব ফেলতে পারে। ’
তবে তিনি বলেন, ‘মা-বাবাদের এটা বুঝতে হবে- টিকা সবচেয়ে বড় সুরক্ষা বলয়। বিশেষত মাল্টিসিস্টেম ইনফ্লেমেটরি সিনড্রোম থেকে শিশুদের রক্ষা করতে টিকাকরণই একমাত্র ভরসা।’
এক সমীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত পাঁচ থেকে ১১ বছর বয়সীদের মধ্যে মাত্র ২৭ শতাংশের টিকাদান সম্পন্ন হয়েছে।
বিশেষজ্ঞেরা আরও জানাচ্ছেন, গর্ভাবস্থায় টিকাকরণ সম্পূর্ণ করলেও শিশুদের সুরক্ষার বিষয়টি অনেকটাই নিশ্চিত করা যায়। কারণ এর ফলে অ্যান্টিবডি মায়ের থেকে গর্ভস্থ সন্তানের শরীরে পৌঁছে যায়। তবে অনেক অন্তঃসত্ত্বাই এতে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তা তাদের জন্য কতটা নিরাপদ হবে তা নিয়ে তারা সন্দিহান।