অনলাইন ডেস্ক, ২৩ জানুয়ারী।। দ্বিতীয় মেয়াদের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ২০২০ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প ভোটে হেরেও জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ক্ষমতায় থাকার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে হোয়াইট হাউসের এক নথিতে উঠে এসেছে।
হোয়াইট হাউসে তিন পাতার একটি নির্দেশের খসড়া তৈরি করা হয়েছিল সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী।
ওই খসড়া নির্দেশনায় ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য অবিলম্বে ভোটের সব মেশিন, সরঞ্জাম, বৈদ্যুতিকভাবে সংরক্ষিত তথ্য এবং নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করতে বলা হয়েছিল প্রতিরক্ষা সচিবকে।
অবশ্য ঘটনাচক্রে ২০২০ সালের ১৬ ডিসেম্বরের সেই নির্দেশে শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের স্বাক্ষর করা হয়নি বলে ভার্জিনিয়ার রাজনৈতিক সংবাদ পরিবেশন সংস্থা ‘পলিটিকো’র এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, নির্দেশটিতে ভোট সংক্রান্ত যন্ত্র, সরঞ্জাম ও তথ্য কব্জায় নেওয়ার কথা বলা হয়েছে স্পষ্টভাবে। মনে করা হচ্ছে, মার্শালদের দিয়ে দেশের ৫০টি প্রদেশের ব্যালট ‘পুনর্গণনার জন্য’ বাজেয়াপ্ত করার পরিকল্পনা করছিল ট্রাম্প প্রশাসন। বিশেষ নিশানায় ছিল ব্যালট চিহ্নিত করার টাচ-স্ক্রিন মেশিনগুলোও।
এখানেই শেষ নয়, ভোটের যন্ত্র, নথি ও তথ্য বাজেয়াপ্ত করলে অভিযোগের ঝড় ওঠা নিশ্চিত বুঝে, তা মোকাবিলায় আগেভাগেই একজন বিশেষ আইনজীবী নিয়োগের কথাও বলা হয়েছিল ওই খসড়ায়।
বিস্ফোরক খসড়া নির্দেশটির প্রকাশ রুখতে ট্রাম্প অনুগামীরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট তাদের আর্জি খারিজ করে দিয়েছে। ফলে ক্যাপিটল হিলে হামলার তদন্ত করেছে যারা, সেই আমেরিকান প্রতিনিধিসভার সিলেক্ট কমিটির হাতে চলে এসেছে ৭৫০টিরও বেশি রেকর্ড। তিন পাতার খসড়াটি তার অন্যতম।