অনলাইন ডেস্ক, ৩১ ডিসেম্বর।। সবকিছু ঠিকঠাকই হচ্ছিলো। কিন্তু প্লেনে ওঠার পর বিমান যখন মধ্য আকাশে তখন শরীরে কিছুটা অস্বস্থি আর গলা ব্যাথা অনুভব করেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর একজন শিক্ষিকা মারিসা ফোটিও। তিনি ২০ ডিসেম্বর শিকাগো থেকে আইসল্যান্ডের রেকজাভিক যাচ্ছিলেন। এসময় নিজের কাছে থাকা র্যাপিড করোনাভাইরাস কিট দিয়ে পরীক্ষা করে দেখেন তিনি করোনা পজিটিভ।
করোনা পজিটিভ জানার পরই আর এক মুহুর্ত দেরি করেননি মারিসা ফোটিও। তিনি সাথে সাথেই নিজেকে প্লেনের টয়লেটে বন্দী করে নেন, যেন এটি আর কারো কাছে ছড়িয়ে না পরে। প্লেনটি মাটিতে নামার আগ পর্যন্ত প্রায় ৪ ঘণ্টা মারিসাকে বাথরুমে সেলফ কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হয়। অবশ্য এ সময় একজন বিমানবালা মারিসাকে খাবার ও পানীয় সরবরাহ করেন।
দীর্ঘ সময় একাকী টয়লেটে বসে থাকতে কার ভালো লাগে? এজন্য মারিসা ওখানে বসেই ৪ মিনিটের একটি টিকটক ভিডিও তৈরি করে পোস্ট করে দেন। মুহুর্তেই সেটি ভাইরাল হয়ে যায়। এখন পর্যন্ত ভিডিওটি প্রায় ৪ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ দেখেছে। অনেকে তার প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে, আবার অনেকে তার এই সিদ্ধান্তের ভূয়শী প্রশংসাও করেছে।
ফোটিও এনবিসি নিউজকে বলেন, ফ্লাইটে প্রায় ১৫০ জন যাত্রী ছিলেন। আমার ভয় হচ্ছিলো আমার কারণে তাদের মাঝে কোভিড ছড়িয়ে পড়ে কিনা। তাই আমি স্বেচ্ছায় আইসোলেশনে ছিলাম। ফ্লাইটের বিমানবালা আমাকে অনেক সাহায্য করেছেন। তাকে অনেক ধন্যবাদ।
আইসল্যান্ডে পৌঁছে রেড ক্রস হোটেলে আমাকে আইসোলেশনে থাকতে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ফ্লাইটে ওঠার আগে পিসিয়ার টেস্টে কিন্তু আমার কোভিড নেগেটিভ এসেছিলো।