স্টাফ রিপোর্টার, জিরানীয়া, ২৮ ডিসেম্বর।। বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যই হচ্ছে এদেশের বৈশিষ্ট্য। আমাদের সকলের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, জাতীয়তাবোধ বজায় রাখতে হবে। এদেশের প্রতিটি মানুষকে একসূত্রে গাঁথতে হবে। আজ জিরানীয়ার অগ্নিবীণা হলে নর্থ ইস্ট জোনাল কালচারাল সেন্টার, ডিমাপুর মিনিস্ট্রি অব কালচার, কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ভারত কো জানো অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী একথা বলেন।
তিনি বলেন, এদেশে এখনও অনেক অসাধু শক্তি রয়েছে যারা জাতির নামে, ধর্মের নামে দেশ ভাগ করার চেষ্টা করছে। নিজেদের মধ্যে ঐক্য বজায় রেখে এই অসাধু শক্তিকে প্রতিহত করতে হবে। সংস্কৃতি এই বিষয়ে একটা বড় ভূমিকা নিতে পারে। সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি যত হবে ততই কুচক্রীরা কোণঠাসা হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এদেশের ঐক্যের ঐতিহ্যকে একসূত্রে বেঁধে রাখার উদ্দেশ্যেই এ ধরনের উৎসব আয়োজন করার উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি বলেন, অন্যকে নিয়ে ভাবার সময় নেই এই ভাবনা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। বিভেদের মাঝে ঐক্যের ধুনি শুনেই আমরা অভ্যস্ত। সেই ধ্বনিতে বিশ্বাস রেখে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।
এদেশের জন্য যা ভালো তাই আমরা গ্রহণ করবো। এটাই হবে আমাদের লক্ষ্য এবং কর্তব্য। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে এছাড়া বক্তব্য রাখেন জিরানীয়া পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান প্রীতম দেবনাথ। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নর্থ ইস্ট জোনাল কালচারাল সেন্টারের সদস্য সুব্রত চক্রবর্তী।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাণীরবাজার পুরপরিষদের চেয়ারপার্সন অপর্ণা দাস, জিরানীয়া নগরপঞ্চায়েতের চেয়ারপার্সন রতন কুমার দাস, পশ্চিম জেলা কালচারাল উপদেষ্টা কমিটির সদস্য পার্থসারথী সাহা, বিশিষ্ট সমাজসেবী গৌরাঙ্গ ভৌমিক প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জিরানীয়া মহকুমার মহকুমা শাসক জীবনকৃষ্ণ আচার্য। অনুষ্ঠানে আসাম, মণিপুর, ওড়িশা, অরুণাচল প্রদেশ ও ত্রিপুরার শিল্পীগণ তাদের নিজ নিজ রাজ্যের সাংস্কৃতিক কর্মসূচি পরিবেশন করেন।