অনলাইন ডেস্ক, ১৭ ডিসেম্বর|| ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে রেকর্ড গড়া জয় পেয়েছে পাকিস্তান। করাচিতে ২০৮ রানের টার্গেট দিয়েও হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পারল না ক্যারিবিয়ানরা।
বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ব্যাটে এই বিশাল লক্ষ্যকেও মামুলি বানিয়ে ৭ উইকেটের জয় পেয়েছে পাকিস্তান। অধিনায়ক-উইকেটরক্ষক নিকোলাস পুরানের ৬৪ রানের ওপর ভর করে ৩ উইকেটে ২০৭ রান করে উইন্ডিজ।
জবাবে ৭ বল হাতে রেখে ৩ উইকেটে ২০৮ রান করে পাকিস্তান।
ক্যারিবিয়ানদের জয়ের আশা কেড়ে মূলত নেন বাবর-রিজওয়ান। দুজনে গড়েন ১৫৮ রানের জুটি। তার মধ্যে রিজওয়ানের রান ৪৫ বলে ১০ চার ও ৩ ছয়ে ৮৭। বাবর ৫৩ বলে ৯ চার ও ২ ছয়ে করেছেন ৭৯। পাকিস্তানের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটি। আগের ১৯৭ রানের রেকর্ডটিও বাবর-রিজওয়ানের। চলতি বছরই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এই রেকর্ড গড়েন তারা।
টি-টোয়েন্টিতে ওপেনিং জুটিতে সর্বোচ্চ ৫ বার শতরানের জুটি গড়লেন বাবর-রিজওয়ান।
সেই সঙ্গে তারা ভেঙে দিলেন রোহিত শর্মা ও শিখর ধাওয়ানের রেকর্ড। এই দুই ভারতীয় ব্যাটারের শতরানের জুটি আছে ৪টি। সমান ওপেনিং জুটি আছে রোহিত ও লোকেশ রাহুলেরও।
টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি ৬ সেঞ্চুরি জুটিও বাবর-রিজওয়ানের। ২৭ ইনিংসে এই রেকর্ড গড়লেন এই দুই পাকিস্তানি ব্যাটার। সমান ইনিংসে ৫ সেঞ্চুরি জুটি গড়েছেন রোহিত-রাহুল। ৫২ ইনিংসে ৪ সেঞ্চুরি জুটিতেও ধাওয়ানের সঙ্গে নাম আছে রোহিতের।
জুটির রেকর্ড ছাড়াও ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের মাইলফলকেও পা রেখেছেন রিজওয়ান। পাকিস্তানের এই ‘রানমেশিন’ চলতি বছরে টি-টোয়েন্টিতে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে পা রাখলেন ২ হাজার রানের ঘরে। এক বর্ষপঞ্জিতে ২০৩৬ রান করলেন রিজওয়ান। ১৭৭৯ রান নিয়ে দুইয়ে আছেন বাবর। ২০১৫ সালে ১৬৬৫ রান করা ক্রিস গেইল আছেন তিনে।
টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয় পেল পাকিস্তান। তাদের আগের রেকর্ডটি ছিল দ.আফ্রিকার বিপক্ষে। এই বছরই সেঞ্চুরিয়নে ২০৫ রান তাড়া করে জিতেছিল তারা। উইন্ডিজের বিপক্ষেও এটি সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয় পাকিস্তানের। ২০১৯ সালে হায়দ্রাবাদে ভারতের বিপক্ষে সমান ২০৮ রান তাড়া করে জিতেছিল তারা। টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর এবং ঘরের মাটিতে সর্বোচ্চ।