Policy: শিক্ষায় বেসরকারী মালিকানা ঢোকানোর পলিসি নিয়ে নোটিশ জারি করেছে তাতে রাজ্যের মানুষ বিস্মিত

স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ১০ ডিসেম্বর|| গত ৩রা ডিসেম্বর রাজ্যের শিক্ষার বিদ্যালয় শিক্ষায় বেসরকারী মালিকানা ঢোকানোর পলিসি নিয়ে যে নোটিশ জারি করেছে তাতে রাজ্যের মানুষ বিস্মিত। ‘গ্রামাঞ্চলের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে গুণগত মানের খারও বেশী শিক্ষা প্রসারের জন্যেই নাকি সরকারের এ ধরনের সিদ্ধান্ত: বেসরকারী সংস্থা স্কুল খুলে অবজন্যে জমি লিজ দিতে গিয়ে বেসরকারি সংস্থাকে নুন্যতম ৪০ শতাংশ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যস্তছাড় দিতে সরকার। অরূপ —- মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীরা এজাতীয় বক্তব্য আমাদেরকে আরও বেশী অবাক করেছে। সরকারী ঘোষণাতে জানা গেছে, সরকারি পরিকাঠামোতেই নাকি ২১৯টি। বর্তমানে কোর্টের রায়ে ১০৩২৩ জন শিক্ষকের চাকুরি চলে যাওয়ায় রাজ্যে শিক্ষার মেহাল হয়েছে তাতে নিকট ভবিষ্যতেই যে রুগ্ন স্কুলের হয়েছে। সংখ্যা আরও মাড়বে বলার অপেক্ষা রাখেনা। আসলে বামআমল থেকেই রাঝে। শিক্ষা ব্যবস্থার যে অধোগতি শুরু হয়েছিল বর্তমান সরকারের আমলে এসেও তা থামছে না। অথচ সরকার রাতদিন একনাগারে প্রচার করে চলেছে যে, গগত শিক্ষার প্রসারে টেটের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগসহ প্রায় সবধরনের উদ্যোগ তারা নাকি নিয়ে চলেছে। তবে কি গুণগত শিক্ষা প্রস্রাবে ইমেধ্যেওনার গৃহীত সমস্ত উদ্যোগই ফেল? যদি তা হয়ে থাকে তো বর্তমানে শিক্ষামন্ত্রীর নৈতিক অধিকার নেই পদে থাকার। সরকারের বর্তমান পদক্ষেপ বেকারি করণের মাধ্যমে সরকারি ব্যবস্থা ব্যর্থতা ঢাকবারই এক অপ্রয়াস বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত।অন্যদিকে, শিক্ষার বেসরকারিকরণের ফলে ভবিষ্যতে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হবে রাজ্যের গরিব ও নিম্নবিত্ত মানুষগুলি। কারণ পয়সার অভাবেবেসরকারী সংস্থা পরিচালিত স্কুলগুলি থেকে তাদের সন্তান সম্প্রতিগণ পাঠ নিতে পারবেনা। তাছাড়া এই পলিসিতে রাজ্যের শিক্ষিত বেকারদের চাকুরিরসুযোগও সীমিত হয়ে যাবে। আসলে মোদি জমানায় দেশ যেভাবে বেসরকারি করণের পথে হাঁটছে তাতে আগামী দিনে যদি শিক্ষা, স্বাস্থ্যের মতোঅত্যাবশ্যকীয় পরিষেবাগুলি সরকারী নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় তো ছাত্র-ছাত্রাসহ দেশের মানুষের দুর্ভোগ যে চরম আকার নোবে বলার অপেক্ষা রাখেনা।তাই সবদিক বিবেচনা করে বাঙালী ছাত্র-যুব সমাজের পক্ষ থেকে শিক্ষার বেসরকারীকরণের সরকারি উদ্যোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে নিম্নলিখিতদাবীসনদ পুরণের জন্যে শিক্ষাদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের মন্ত্রীবাহাদুরের কাছে দাবী জানানো হচ্ছে। আমাদের আশা ও বিশ্বাস কর্তৃপক্ষ দাবীগুলি পুরণের ব্যবস্থা করে বাধিত করবেন। অবিলম্বে শিক্ষাদপ্তর থেকে জারি করা বিদ্যালয় শিক্ষায় বেসরকারি মালিকানা ঢোকানোর নোটিশটি প্রত্যাহার করতে হবে।  রাজ্যে শহর কী গ্রাম্য অধিকাংশ বিদ্যালয়েই অংক, বিজ্ঞান ও ইংরেজী, বাংলার মতো বিষয় শিক্ষকের অভাব রয়েছে অবিলম্বে স্পেশাল ড্রাইবেরমাধ্যমে তা পুরণের ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষা দপ্তরের শূন্যপদগুলিতে অবিলম্বে টেট পাশ করা সমস্ত শিক্ষকদের নিযুক্তি দিতে হবে।  কোন শিক্ষক বা শিক্ষাকর্মীকে শিক্ষাবিভাগ ছাড়া অন্য ডিপার্টমেন্টে কাজে নিযুক্তি করার প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হবে। কারণ এতে বিদ্যালয়ে পঠন-পাঠন বিঘ্নিত হয়। জ্ঞানের পাশাপাশি শিক্ষার পাঠ্যক্রমে কর্মমুখী শিক্ষা ও নৈতিকতাভিত্তিক শিক্ষার পাঠকে আবশ্যিকভাবে স্থান দিতে হবে।একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীতে ঐচ্ছিকের পরিবর্তে বাংলা ভাষাকে আবশ্যিক করতে হবে। ছাত্র-ছাত্রাগণ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই যাতে সমস্ত ধরনের স্টাইপেন্ড, উচ্চশিক্ষা লাভের জন্যে বিনাসুদে ব্যাংক লোন পায় তার ব্যবস্থা করতে হবে।শিক্ষাক্ষেত্রে রাজনৈতিক অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে।এ শিক্ষার নীতি নির্ধারণ ও পরিচালন শুধুমাত্র শিক্ষাবিদদের হাতেরই অর্পন করতে হবে।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?