অনলাইন ডেস্ক, ১০ ডিসেম্বর।। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, ২০২২ সালে অনুষ্ঠিতব্য বেইজিং শীতকালীন অলিম্পিক কূটনৈতিকভাবে বয়কট করার কোন পরিকল্পনা তাদের নেই।
আরও বলেন, কূটনৈতিকভাবে বয়কট করার কোন তাৎপর্য নেই এবং এটি শুধু একটি প্রতীকী ব্যাপার।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও লিথুনিয়া ঘোষণা দিয়েছে, চীনে মানবাধিকার রেকর্ড খারাপ হওয়ার কারণে আসন্ন বেইজিং শীতকালীন অলিম্পিকে তারা কোন সরকারি প্রতিনিধি পাঠাবে না।
উইঘুর মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের প্রতি চীনের দমন-পীড়নের বিষয়টি এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত।
হংকং-এ রাজনৈতিক সংস্কারের দাবিতে যারা আন্দোলন করছে তাদের ওপর দমন-পীড়ন এবং একজন শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চীনা টেনিস খেলোয়াড় পেং শুয়াই যৌন হয়রানির অভিযোগ আনার পর তাকে আর দেখা না যাওয়ার বিষয়টিও সম্পর্ক খারাপ হওয়ার অন্যতম কারণ।
এক সংবাদ সম্মেলনে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট বলেন, অলিম্পিক গেমসকে রাজনীতিকরণ করা উচিত নয়। সে জন্য তিনি এমন পদক্ষেপ নিতে চান যেটি কার্যকরী হবে।
‘হয়তো আপনি পুরোপুরি বয়কট করেন। অ্যাথলেটদেরও পাঠাবেন না। অথবা কার্যকরী কোন পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটানোর চেষ্টা করুন। ’
পেং শুয়াই-এর ঘটনার দিকে পরোক্ষ ইঙ্গিত করে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট বলেন অ্যাথলেটদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য তার দেশ আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সঙ্গে কাজ করবে।
তিনি বলেন, যে পদক্ষেপের কোন তাৎপর্য নেই সেটিকে রাজনীতিকরণ করা উচিত নয়।
চীন বলছে, যেসব দেশ শীতকালীন অলিম্পিক কূটনীতিকভাবে বর্জন করছে, এ ভুলের জন্য তাদের মূল্য দিতে হবে।
ইতিমধ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস জানিয়েছেন, শীতকালীন অলিম্পিকে যোগ দেওয়ার জন্য তাকে যে আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে, সেটি তিনি গ্রহণ করেছেন।
সম্প্রতি ফ্রান্সের বদলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সাবমেরিন কিনতে চুক্তি করেছে অস্ট্রেলিয়া। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে যুক্তরাজ্যও। এ ঘটনায় দেশগুলোর সঙ্গে ফ্রান্সের কূটনৈতিক টানাপোড়েন চলছে।