স্টাফ রিপোর্টার, তেলিয়ামুড়া, ৯ ডিসেম্বর।। শুখা মরসুম শুরু হতেই গ্রাম পাহাড়ের দেখাদে তীব্র পানীয় জলের সংকট। এদিকে দেশ স্বাধীন হওয়ার ৭৪ বছর অতিক্রান্ত হলেও প্রত্যন্ত এলাকাবাসীদের পানীয় জলের সমস্যা ঘুছলনা। বর্তমানে ও উপজাতি গিরি বাসীরা ছড়া কিংবা লুঙ্গা থেকে জল সংগ্রহ করতে হয়। আর অপরিশোধিত জল দিয়ে তারা জলতেষ্টা মেটাতে হচ্ছে।
কথা হচ্ছিল তেলিয়ামুড়া মহাকুমার মুঙ্গিয়াকামি ব্লকের তুই কর না এডিসি ভিলেজের অধীনে বিলাইহাম রিয়াং চৌধুরীপাড়া এলাকাটি। তেলিয়ামুড়া শহর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে কেরলেং এলাকাটির অবস্থান। এলাকায় প্রায় শতাধিক উপজাতি রিয়াং পরিবারের বসবাস।
মুঙ্গিয়াকামি আরডি ব্লকের তুই করমা এডিসি ভিলেজের এলাকা টি হল বিলাই হাম রিয়াং চৌধুরী পাড়া।
চড়াই উৎরাই পাহাড়ি রাস্তা ধরেই বিলাই হাম রিয়াং চৌধুরি পারা এলাকায় যায় উপজাতি গিরি বাসীরা। এলাকাটিতে পানীয় জলের জন্য পাম্প মেশিন বসিয়ে পানীয় জলের অভাব দূরীকরণে নির্মাণ করা হয়েছিল উৎস টি। পানীয় জলের উৎসটি থাকলেও বর্তমানে সেই জল এলাকার একাংশ গিরি বাসীরা ব্যবহার করতে পারে না।
ফলে পুরানো পদ্ধতি অনুসরণ করে জল সংগ্রহ করতে হচ্ছে এলাকায় বসবাসকারী একাংশ গিরিবাসীদের। অভিযোগ এডিসি প্রশাসন এবং মুঙ্গিয়াকামি প্রশাসনের বদান্যতার কারণে বিলাই হাম রিয়াং চৌধুরী পাড়া বাসীরা বর্তমানেও জলের জন্য নির্ধারণ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
বিগত বাম আমলের পঁচিশটি বছর বাম নেতারা পায়তারি করতে গিয়ে বিলাই হাম রিয়াং চৌধুরি পাড়া এলাকাবাসীদের কপালেও জুটেছিল উন্নয়নের লুটা কম্বল। এলাকায় পানীয় জলের চিত্র খুবই বেহাল। এমন দৃশ্য বিরল। এলাকার রমণীরা দূর-দূরান্ত থেকে পাথর চুষা কিংবা পাহাড়ের গায়ে জমিয়ে রাখা জল সংগ্রহ করতে হচ্ছে।
তবে বিলাই হাম রিয়াং চৌধুরী পাড়া বাসীদের দাবি পাইপ যোগে এলাকায় বিশুদ্ধ পানীয় জল প্রদান করা হয়েছে তা যেন এলাকার বিভিন্ন বাড়িঘরের পৌঁছে দেওয়া হয়। তা না হলে ও পাহাড়ের গায়ে আঢাকা গর্ত কিংবা ছড়া পান করার ফলে জল বাহিত নানা রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে ওই এলাকায়।
এখন দেখার বিষয় মুঙ্গিয়া কামি ব্লক প্রশাসনেরওই এলাকায় পানীয় জলের সংকট দূরীকরণে কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এবং যে পাম্প মেশিন বসানো হয়েছিল তাতে ও নিম্নমানের কাজের তদন্ত কতটুকু এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে তাই এখন দেখার বিষয়।