স্টাফ রিপোর্টার, উদয়পুর, ৯ডিসেম্বর|| উদয়পুর মহকুমা প্রশাসন ও বিগত দিনের পুর পরিষদের উদাসীনতায় মহাশ্মশান গুলি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে । এসব সমস্যা সমাধানে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য স্থানীয় জনগণের তরফ থেকে জোরালো দাবি উঠেছে।গোমতী জেলা সদর উদয়পুর মহকুমার পুরপরিষদ এলাকায় দুই-দুইটা মহাশ্মশান আছে।এ গুলির বড়ই বেহাল অবস্থা।এই বেহাল অবস্থার প্রতিকারে কেউই এগিয়ে আসে না।কি মহকুমা প্রশাসন,কি পুরপরিষদ কতৃপক্ষ।
মনে হচ্ছে সবাই যেন কুম্ভ নিদ্রায় আচ্ছন্ন।কারোরই কোনো হুস্ নেই। মহাশ্মশান দুইটি যেন মরন ফাঁদে পরিনত হয়ে আছে। উদয়পুর পুর পরিষদ এলাকায় মহাশ্মশান দুইটির একটি ছনবন মহাশ্মশান, অন্যটি পোল্ট্রি রোড মহাশ্মশান।মহাশ্মশান দুইটি গোমতী নদীর পাড়ে জনবহুল এলাকায় অবস্থিত।ছনবন মহাশ্মশানটির এতই নড়বড়ে অবস্থা যে কোনো সময় শ্মশানযাএীদের সলিল সমাধি ঘটতে পারে।শ্মশানের চুল্লীর চারধারে পিলার দিয়ে উপরে যে ছাদ দেওয়া হয়েছে তার একটি পিলারের অবস্থা এতই বিপদজনক তা যে কোনে সময় শ্মশানযাএীদের মাথায় ভেঙে পড়তে পারে।শ্মশান যাএীদের বক্তব্য মহকুমা প্রশাসন এবং উদয়পুর পুর পরিষদের এহেন অবহেলায় যেকোনো সময় বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। চুল্লি গুলি অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে তৈরী।মৃতদেহ সৎকার করতে বড়ই অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয়।তারচেয়েও বড় সমস্যা জলের।জলের ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নেই। শ্মশান গুলি খুবই অপরিচ্ছন্ন।পোল্ট্রি রোড মহাশ্মশানের অবস্থা আরও বিপদজনক।পর্যাপ্ত চুল্লীর অভাব। জলের মহাসংকট।
জলের জন্য গোমতি নদীর খাঁড়া পাড় বেয়ে নিচে নামতে হয়।একটি বৈদুতিন মটর পাম্প বসানো হয়েছিল যা জন্মলগ্ন থেকে অচল। চারিদিকে বাউন্ডারি না থাকায় শ্মশানটি গোচারণ ভূমিতে পরিনত হয়ে আছে।পুরবাসীর অনেক দিনের আশা মহাশ্মশান দুইটিতে গ্যাসচুল্লির সাহায্যে মৃতদেহ সৎকার করার ব্যবস্থা করা হবে।ওটিপিসি এর পর্যাপ্ত পরিকাঠামো থাকা সত্বেও বাম আমলে ২৫ বছরেও তা করতে পারেনি।রাম আমলেও সমস্যা যে তিমিরে ছিল সেই তিমিরেই রয়ে গেল ।মহকুমা প্রশাসন এবং পুর পরিষদের এহেন উদাসীনতায় পুরবাসী ক্ষুব্দ। যেহেতু মানুষের শেষ ঠিকানা মহাশ্মশান।তাই মানুষের শেষ ঠিকানা মহাশ্মশান দুইটিকে আধুনিক বিজ্ঞানপ্রযুক্তিতে তৈরী করার দাবি করেছেন উদয়পুরের পুর এলাকার জনগন।