অনলাইন ডেস্ক, ৩ ডিসেম্বর।। ওমিক্রন নিয়ে মানুষের মনে যে প্রশ্নগুলি বার বার উঠছে, শুক্রবার তার জবাব দিল কেন্দ্র। কোভিড ১৯-এর নয়া এই ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে ক্রমশ বাড়ছে উদ্বেগ। মানুষ যাতে ওমিক্রন সংক্রমণ নিয়ে বিভ্রান্ত হয়ে না পড়ে , তাই এর সংক্রমণ এবং তার প্রতিকার ও প্রতিরোধ সম্পর্কে জবাব দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।
ওমিক্রনের উত্থানের কারণে ভারতে থার্ড ওয়েবের সম্ভাবনা আছে কি?
স্বাস্থ্য মন্ত্রক বলেছে যে দক্ষিণ আফ্রিকার বাইরের দেশগুলি থেকে বেশি করে ওমিক্রন সংক্রমণের রিপোর্ট সামনে আসছে। সেখান থেকেই নয়া এই ভ্যারিয়েন্ট অন্য দেশগুলিতে ছড়িয়ে পড়ছে।যার মধ্যে ভারতও রয়েছে। সংক্ৰমের খবর পাওয়া গেলেও তা আদতে কতটা মারাত্মক সেটা এখনই স্পষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছে। তাতে আরও বলা হয়েছে, যেহেতু দেশে টিকাকরণের কাজ ভালোভাবে হয়েছে, তাই মনে করা হচ্ছে যে ডেল্টা প্রজাতির ওমিক্রন হয়ত ততটা ক্ষতি করতে পারবে না। তবে সবটাই নির্ভর করছে বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ওপর।
যে ভ্যাকসিন আমাদের কাছে রয়েছে তা কি ওমিক্রন মোকাবিলা করতে সক্ষম ?
স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, বর্তমান ভ্যাকসিন ওমিক্রন মোকাবিলা করতে পারবে না, একথা নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না। তবে যেহেতু ওমিক্রনের জিনে মিউটেশন হচ্ছে তাই তার চরিত্র স্পষ্ট ধরা যাচ্ছে না। তবে যারা ভ্যাকসিন নিয়েছেন, তাদের শরীরে এন্টিবডি তৈরি হয়েছে। ফলে তাঁরা এক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। যারা ভ্যাকসিন নেয়নি তাদের ভ্যাকসিন নিয়ে নিতে বলা হচ্ছে।
ওমিক্রন নিয়ে আমদের উদ্বেগের জায়গা ঠিক কতটা ?
স্বাস্থ্যমন্ত্রক বলছে ওমিক্রনে যেভাবে মিউটেশন হচ্ছে তা দেখে তাকে আগেই ‘ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন’ বলে উল্লেখ করেছে হু। ওমিক্রন যেভাবে নিজেকে বদলাচ্ছে তাতে তার ক্ষতিকারক প্রভাব পড়ার সম্ভবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে ওমিক্রন ঠিক কতটা ক্ষতিকারক তা বুঝতে গেলে অপেক্ষা করা ছাড়া এই মুহূর্তে উপায় নেই।