অনলাইন ডেস্ক, ২০ নভেম্বর।। প্রায় দেড় ঘণ্টার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হয়েছিলেন ভাইস-প্রেসিডেন্ট কমালা হ্যারিস। এর মধ্য দিয়ে দেশটির ইতিহাসে এই প্রথম কোনো নারী রাষ্ট্র প্রধান হলেন। এই সময় তিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ও পারমাণবিক শক্তির নিয়ন্ত্রক।
গত নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম কোন নারী এবং প্রথম দক্ষিণ-এশীয় আমেরিকান হিসাবে ভাইস-প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন কমালা হ্যারিস।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যখন নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে যান, তখন তিনি ভাইস-প্রেসিডেন্ট কমালা হ্যারিসকে দেশের সর্বময় ক্ষমতা দিয়ে যান।
শুক্রবার একটি নিয়মিত কলোনোস্কোপি করার জন্য প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে অ্যানেস্থেশিয়া দেয়া হয়।
সেই সময় প্রায় ৮৫ মিনিটের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্ব থাকে ভাইস-প্রেসিডেন্ট কমালা হ্যারিসের হাতে।
ওই পরীক্ষার পর বাইডেনের চিকিৎসকরা একটি বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তিনি পুরোপুরি সুস্থ রয়েছেন এবং তার দায়িত্ব পালনে সক্ষম।
প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ৭৯তম জন্মদিনের প্রাক্কালে এই স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হোয়াইট হাউজের ওয়েস্ট উইং থেকে মিসেস হ্যারিস তার দায়িত্ব পালন করেছেন।
এর আগে গত নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম কোন নারী এবং প্রথম দক্ষিণ-এশীয় আমেরিকান হিসাবে ভাইস-প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন কমালা হ্যারিস।
হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি জেন পাসাকি বলেছেন, সাময়িকভাবে ক্ষমতার এই হস্তান্তর একেবারে নতুন নয়। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানেই এই প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ যখন ২০০২ এবং ২০০৭ সালে একই রকম স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছিলেন, সেই সময়েই একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে’।
তিনি জানিয়েছেন, ‘প্রেসিডেন্ট যখন হোয়াইট হাউজে ফিরেছেন, তাকে হাস্যোজ্বল দেখা গেছে’।
জো বাইডেনের চিকিৎসক কেভিন ও’কনার বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট পুরোপুরি সুস্থ, সবল, ৭৮ বছর বয়স্ক একজন পুরুষ, যিনি প্রেসিডেন্ট হিসাবে সব দায়িত্ব পালনে সক্ষম আছেন’।
কলোনোস্কোপিতে তার শরীরে বিপজ্জনক নয়, এমন একটি পলিপ শনাক্ত হয়েছিল, তা খুব সহজেই সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বয়স্ক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সর্বশেষ স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয়েছিল ২০১৯ সালে।