exploded: বিমান হামলায় ৬৪ নারী-শিশুকে হত্যার তথ্য গোপন করেছিল যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক, ১৫ নভেম্বর।। সিরিয়ায় বিমান হামলা চালিয়ে ৬৪ জন মহিলা ও শিশুকে হত্যার তথ্য গোপন করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী। নিউইয়র্ক টাইমস স্থানীয় সময় শনিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ কথা জানিয়েছে। এতে বলা হয়, ২০১৯ জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) এর বিরুদ্ধে যুদ্ধের সময় সিরিয়ায় ওই বিমান হামলা চালানো হয়। এই হত্যাকাণ্ড যুদ্ধাপরাধ হয়ে থাকতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সিরিয়ায় স্থল অভিযানের দায়িত্বপ্রাপ্ত আমেরিকান স্পেশাল অপারেশনসের একটি গোপন ইউনিটের নির্দেশে দু’বছর আগে সিরিয়ার বাঘুজ টাউনের কাছে পর পর দু’টি বিমান হামলা চালানো হয়। সিরিয়ায় বিমান হামলার তত্ত্বাবধান করে আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড। চলতি সপ্তাহে প্রথমবার এই দু’টি বিমান হামলার কথা স্বীকার করেছে তারা। সেই সঙ্গে এই দু’টি হামলাকে ‘ন্যায়সঙ্গত’ বলেও দাবি করা হয়েছে।

শনিবার সংবাদমাধ্যমটিকে দেওয়া আমেরিকান সেন্ট্রাল কমান্ডের বিবৃতি অনুয়ায়ী, ওই হামলায় ১৬ জন আইএস যোদ্ধা এবং চারজন সাধারণ নাগরিক নিহত হয়েছিলেন। নিহত ৮০ জনের মধ্যে বাকি ৬০ জনও সাধারণ নাগরিক কি না তা স্পষ্ট নয়। কারণ মহিলা এবং শিশু যোদ্ধা থেকে থাকতে পারেন। ‘ন্যায়সঙ্গত আত্মরক্ষার’ জন্যই হামলাগুলো চালানো হয়েছে দাবি করে সেন্ট্রাল কমান্ড বলেছে, ‘নিরপরাধ মানুষের মৃত্যুকে আমরা ঘৃণার চোখে দেখি এবং তা ঠেকাতে যথাযথ পদক্ষেপ করে থাকি।

এই ঘটনায় আমাদের নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়েছি এবং অনিচ্ছাকৃত মৃত্যুর পুরো দায়িত্ব নিচ্ছি।’ তাদের দাবি, ওই ঘটনার ভিডিওতে ‘অস্ত্রধারী বহু নারী এবং অস্ত্র হাতে এক শিশুকে দেখা গিয়েছিল’। তাই নিহত ওই ৬০ জনের মধ্যে কতজন সাধারণ নাগরিক ছিলেন, তার যাচাই করা যায়নি। সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, নিহত ওই ৬০ জনের মধ্যে বেশির ভাগই সম্ভবত যোদ্ধা ছিলেন। তারা জানায়, হামলার সময় ব্যাপক গুলির মুখে পড়েছিল কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্স (এসডিএফ)। তাদের পরাজয়ের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছিল।

এসডিএফ জানিয়েছিল, ওই এলাকায় কোনো সাধারণ মানুষ নেই। নিউইয়র্ক টাইমসের দাবি, ২০১৯ সালের ১৮ মার্চ ওই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছিলেন আমেরিকার প্রতিরক্ষা দপ্তরের ইন্সপেক্টর জেনারেল। কিন্তু তদন্ত রিপোর্ট থেকে বোমা হামলার বিষয়টি ‘বাদ দেওয়া’ হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, গোপন নথি এবং গোপন রিপোর্টের বর্ণনার ওপর ভিত্তি করেই প্রতিবেদনটি লেখা হয়েছে। ঘটনাটির সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িতদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?