Conference: সমুদ্রের তীরে হাঁটু পর্যন্ত দাঁড়িয়ে জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলনের বক্তৃতা দিলেন দ্বীপরাষ্ট্র টুভালুর পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক, ৯ নভেম্বর।। দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র টুভালুর পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বজুড়ের এখন আলোচনায়।  সমুদ্রের তীরে হাঁটু পর্যন্ত দাঁড়িয়ে জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলনের বক্তৃতা দিয়ে তিনি এ আলোচনার জন্ম দেন।

টুভালুর পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইমন কোফে’র ওই বক্তৃতা মঙ্গলবার প্রচার করা হবে। তার আগে ধারণকৃত ভিডিও বক্তৃতাটি তিনি দেন সমুদ্রের পানিতে দাঁড়িয়ে।

বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ প্রভাব দেখাতে তিনি এভাবে বক্তৃতার আয়োজন করেন। দ্বীপ দেশটির রাজধানী ফুনাফুতির সমুদ্রে স্যুট এবং টাই পরে বক্তৃতাটি দেন তিনি।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, এ দৃশ্য জলবায়ু পরিবর্তন এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির প্রভাবে টুভালুর বাস্তব পরিস্থিতি কেমন হবে তা উপস্থাপন করে।

টুভালু হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের প্রায় আড়াই হাজার মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। দেশটি নয়টি ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত। এর জনসংখ্যা প্রায় ১২ হাজার। এর পর্যটন ওয়েবসাইট টাইমলেস টুভালুতে বলা হয়েছে, শতাব্দীর শেষ নাগাদ এটি পানির নিচে চলে যেতে পারে। অনেক লোক ইতিমধ্যেই নিউজিল্যান্ডে চলে গেছে।

দ্বীপ দেশগুলির নেতারা ইতিমধ্যেই স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে কপ২৬ সম্মেলনে জোরালো আবেদন করেছেন বৈশ্বিক উষ্ণতা কমানোর।

মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলিহ গত সপ্তাহে বলেছেন, ‘আমাদের দ্বীপগুলিকে ধীরে ধীরে সমুদ্র খেয়ে ফেলছে। আমরা যদি এ প্রবণতাকে ওলটাতে না পারি, তাহলে শতাব্দীর শেষ নাগাদ মালদ্বীপের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে যাবে’।

বার্বাডোজের প্রধানমন্ত্রী মিয়া মটলি একটি বক্তৃতায় বলেন যে, দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের বৈশ্বিক উষ্ণতা ‘অ্যান্টিগা এবং বারবুডার জনগণের জন্য, মালদ্বীপের জনগণের জন্য, ডোমিনিকা এবং ফিজির জনগণের জন্য মৃত্যুদণ্ড। কেনিয়া এবং মোজাম্বিকের মানুষ, এবং হ্যাঁ, সামোয়া এবং বার্বাডোজের মানুষের জন্য’।

 

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?