United States: জেরুজালেমে ফিলিস্তিনিদের জন্য মার্কিন কনস্যুলেট, ইসরায়েলের আপত্তি

অনলাইন ডেস্ক, ৮ নভেম্বর।। জেরুজালেমে ফিলিস্তিনিদের জন্য ওয়াশিংটনের প্রধান কূটনৈতিক মিশন পুনর্বহাল উদ্যোগে পরিস্থিতি জটিল দিকে মোড় নিয়েছে। প্রস্তাবটি ইসরায়েল প্রত্যাখ্যান করায় নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনিরা।

শনিবার গভীর রাতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট বলেছেন, জেরুজালেমে আরেকটি আমেরিকান মিশনের জায়গা নেই।

ট্রাম্প প্রশাসন জেরুজালেমে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেট বন্ধ করে দেয়। ওই কনস্যুলেটটি বছরের পর বছর ধরে ফিলিস্তিনিদের ডি ফ্যাক্টো দূতাবাস হিসেবে কাজ করছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন কনস্যুলেটটি পুনরায় চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ইসরায়েল বলছে, ওই পদক্ষেপ শহরটির ওপর তাদের সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ করবে।

কনস্যুলেটটি পুনরায় চালু হলে তা ফিলিস্তিনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক উন্নয়নে সাহায্য করতে পারে।

ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ফিলিস্তিনিরা তাদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের জন্য ইসরায়েলের কয়েক দশক ধরে চলা দখলদারির অবসান ঘটাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে কনস্যুলেট পুনরায় চালু করার বিষয়টিকে বিবেচনা করে।

আরও বলা হয়, ‘ফিলিস্তিনিদের অধিকৃত ভূখণ্ডের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ পূর্ব জেরুজালেম এবং এটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী। দখলদার শক্তি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের সিদ্ধান্তে ভেটো দেওয়ার অধিকার নেই ইসরায়েলের। ’

এর আগে সংবাদ সম্মেলনে কনস্যুলেট সম্পর্কে নাফতালি বেনেট জেরুজালেম বিষয়ে ইসরায়েলের অবস্থানের পুনরাবৃত্তি করেন। তিনি বলেন, জেরুজালেমে আরেকটি আমেরিকান কনস্যুলেটের জায়গা নেই। জেরুজালেম একটি রাষ্ট্রের রাজধানী এবং তা হচ্ছে ইসরায়েল রাষ্ট্র।

অন্যদিকে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ার ল্যাপিড পরামর্শ দেন, জেরুজালেমের বদলে পশ্চিম তীরের রামাল্লায় ফিলিস্তিনের প্রশাসনিক কেন্দ্রে কনস্যুলেটটি খোলা যেতে পারে। তবে ফিলিস্তিনিরা এই ধারণাটি প্রত্যাখ্যান করে, কারণ তা জেরুজালেমের প্রতি তাদের দাবিকে দুর্বল করে দেবে।

 

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?