স্টাফ রিপোর্টার, রানিরবাজার, ২৭ অক্টোবর।। দুর্গা পূজার মধ্যে এক অটো চালককে মারধরের ঘটনায় থানায় মামলা নিচ্ছে না রানিরবাজার থানার পুলিশ৷ ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানা পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন আক্রান্ত চালকসহ তার পরিবারের লোকজন৷
ঘটনার বিবরণে জানা যায় গত ১৪ অক্টোবর রানিরবাজার বৃদ্ধনগর সিএনজি স্টেশনে গ্যাস নিতে গিয়েছিলেন অটোচালক চন্দন রায়৷ তিনি অটো নিয়ে সিএনজি স্টেশনে ঢোকার সময় সেখানে সামান্য কথা কাটাকাটি হয় স্থানীয় যুবক জয়ন্ত পালের সঙ্গে৷ অভিযোগ জয়ন্ত পাল প্রচণ্ড মদমত্ত ছিল এবং সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রথমে অটোচালক চন্দন রায়কে প্রচণ্ড গালাগাল করে৷
চন্দন রায় অহেতুক ঝামেলায় না বাড়ানোর উদ্দেশ্যে কোন প্রতিবাদ না করে সিএনজি স্টেশনের ভেতরে ঢুকে যান গ্যাস নিতে৷ কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই অভিযুক্ত জয়ন্ত পাল স্থানীয় এক শাসকদলীয় গ্রাম প্রধানের ভাই নারায়ণ দাস ওরফে ঘোড়াকে সঙ্গে নিয়ে এসে তাকে প্রচণ্ডভাবে মারধর করে৷
অভিযুক্তরা চন্দন রায়কে ধারালো কিছু দিয়ে আঘাত করে এবং রক্তাক্ত করে৷ তার কাছ থেকে নগদ ১৮০০ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায়৷ অভিযুক্তদের মারে চন্দন রায় বুকে এবং মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পান এবং আহত হন৷
পরে খবর পেয়ে সহকর্মী অটোচালক এবং বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে রানিরবাজার স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এবং পরে জিবি হাসপাতালে নিয়ে আসেন৷ পরবর্তীকালে চন্দন রায়ের স্ত্রী টুম্পা দাস স্বামীর উপর নির্যাতনের ঘটনা জানিয়ে রানিরবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ করেন৷
কিন্তু পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া তো দূরের কথা এফআইআরই রাখতে চায়নি বলে অভিযোগ৷ এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য জয়ন্ত পাল সহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রানিরবাজার থানায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে৷
শাসক দলের নাম ভাঁড়িয়ে তারা নিয়মিত এলাকাতেও উচ্ছৃঙ্খলতা করছে বলে অভিযোগ৷ কিন্তু রানিরবাজার থানার পুলিশ অজ্ঞাত কারণে এসব সমাজ বিরোধীদের পক্ষ নিয়ে সাধারণকে আইনি সহায়তা থেকে বিরত করছে বলে অভিযোগ৷