স্টাফ রিপোর্টার, বিশালগড়, ২৪ অক্টোবর।।
ধৃত দুই রোহিঙ্গাকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে অবশেষে বড়সড় সাফল্য পেল করিমগঞ্জ পুলিশ৷ ত্রিপুরার ভারত-বাংলা সীমান্ত থেকে ধরা পড়ে রোহিঙ্গাদের এক লিঙ্কম্যান৷
চলতিমাসের ১৩ তারিখে বাজারিছড়া থানাধীন চুরাইবাড়ি ওয়াচ পোস্টের নাকা চেকিং-এ একটি গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে সন্দেহজনক দুই রোহিঙ্কা যুবককে আটক করে পুলিশ৷ এদের মধ্যে ছিল ফরিদ আলম (২০), পিতার নাম আহমদ সিদ্দিক ও অপরজন হল মোহাম্মদ ফুরকান (২৪), পিতার নাম মহম্মদ আমিন৷ এরা দু’জনেই মূলত মায়ানমারের বাসিন্দা৷ তারা দীর্ঘদিন থেকে বাংলাদেশের কক্সবাজার এলাকার টেকনাফ শরণার্থী ক্যাম্পে আশ্রিত ছিল৷
সম্প্রতি তারা দালাল মারফৎ ত্রিপুরা-বাংলাদেশ সীমান্ত টপকে হায়দ্রাবাদ যাবার পথে স্থানীয় পুলিশের হাতে ধরা পড়ে৷ পরে ধৃতদের কোর্টে সোপর্দ করে বাজারিছড়া পুলিশ৷ এদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২২ অক্টোবর তিনদিনের জন্য রিমান্ডে নেয় পুলিশ৷
পরে পুলিশি জেরায় নানা তথ্য উঠে আসায় তদন্তে নামেন খোদ করিমগঞ্জ পুলিশের সুরক্ষা বিভাগের ডিএসপি (এপিএস) জেমস-এ সঙ্গতি৷ এমর্মে তিনি শনিবার দলবল নিয়ে ত্রিপুরা পুলিশ ও সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর সহযোগিতায় ত্রিপুরার সিপাহীজলা জেলার মধুপুর থানাধীন উত্তর কইয়াঢেপা নো-ম্যানস ল্যান্ড থেকে ফারুক মিয়া নামের এক যুবককে আটক করে৷
অভিযোগ, ধৃত ফারুক মিয়া বাংলাদেশের জনৈক বিল্লাল মিয়াকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে রোহিঙ্গাদের যাতায়াতে সহায়তা করত৷ গত ১৬ সেপ্টম্বর কইয়াঢেপা গ্রামের সীমান্তবর্তী ক্রসিং পয়েন্ট দিয়ে ফরিদ ও ফুরকানকে ফারুকই ভারতের ত্রিপুরায় প্রবেশ করতে সহায়তা করে৷
রবিবার রিমান্ডে আনা দুই যুবকের সাথে ফারুককে আদালতে তোলা হলে আদালতের নির্দেশে তাদের উভয়ের ঠাঁই হয় জেল হাজতে৷ এ ঘটনায় সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে নানা প্রশ্ণ তুলতে শুরু করেছে সচেতন মহল৷